The process of recovering stolen money began right after Suvendu's defiant declaration.

শুভেন্দুর হুঙ্কারের পরই শুরু চুরির টাকা ফেরত নেওয়ার কাজ ! আবাস যোজনায় মহা অ্যাকশনে বিজেপি সরকার !

বাংলার গরিব মানুষের হকের ঘর চুরি করা সিন্ডিকেট রাজের বিরুদ্ধে এবার চূড়ান্ত যুদ্ধ ঘোষণা করল নবান্ন! ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে জালিয়াতি করে যারা সরকারি টাকা আত্মসাৎ করেছিল, তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে এবার টেনে টেনে টাকা বের করার ঐতিহাসিক নির্দেশ জারি হয়ে গেল। নবান্ন সূত্রে খবর, রাজ্যজুড়ে প্রথম দফার তদন্তেই ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা হয়েছে প্রায় ১০ হাজার অযোগ্য ও ভুয়ো উপভোক্তাকে। মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালের কড়া নির্দেশে জেলায় জেলায় চলছে তালিকা ঝাড়াই-বাছাইয়ের কাজ। পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও যারা নিয়ম ভেঙে টাকা নিয়েছেন, তাঁদের কাছ থেকে কীভাবে এক একটি পয়সা উদ্ধার করছে শুভেন্দু অধিকারীর সুশাসনের প্রশাসন? ঠিক কী ধরণের মেগা জালিয়াতি চালানো হয়েছিল এই আবাসন প্রকল্পে? সবটা বলব এই ভিডিওতে…
সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ১২ লক্ষ উপভোক্তাকে পাকা বাড়ি তৈরির জন্য ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। আর দ্বিতীয় ধাপে আরও ১৬ লক্ষ মানুষকে এই সুবিধা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে রি-ভেরিফিকেশন বা পুনরায় যাচাইয়ের নির্দেশ দিতেই কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে পড়ে। দেখা যায়, প্রথম ধাপের ৬০ হাজার টাকা যারা তুলেছেন, তাদের অনেকেরই আগে থেকে বিশাল পাকা বাড়ি রয়েছে! কোথাও আবার দলীয় প্রভাব খাটিয়ে একজনের নামেই একাধিক বাড়ির টাকা মঞ্জুর করে নেওয়া হয়েছে। সরকারি রাজকোষের এই বিপুল ক্ষতি কোনোভাবেই বরদাস্ত করছে না বর্তমান সরকার।
দুর্নীতির এই কালো টাকা উদ্ধারের জন্য পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের সচিবকে এক নজিরবিহীন ও চূড়ান্ত কড়া চিঠি পাঠিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল। নতুন নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে:

অবিলম্বে অর্থ ফেরত: যেসব সুবিধাভোগী পুনরায় যাচাইয়ের সময় অযোগ্য বলে প্রমাণিত হয়েছেন, তাঁদের কাছ থেকে প্রকল্পের অর্থ অবিলম্বে রিকভারি বা ফেরত নিতে হবে।

নির্দিষ্ট ট্রেজারি হেড: উদ্ধার করা এই অর্থ নির্দিষ্ট সরকারি ট্রেজারি হেড অফ অ্যাকাউন্ট (2216-03-002-001-70-01)-এ টি.আর. ফর্ম-৭ (T.R. Form-7)-এর মাধ্যমে সরাসরি জমা করতে হবে।

ডিজিটাল ট্র্যাকিং: অর্থ ফেরতের পর সংশ্লিষ্ট ব্লককে রিকভারি মডিউলে গিয়ে ওই সুবিধাভোগীর আইডির বিপরীতে আদায়ের পরিমাণ নথিভুক্ত করতে হবে এবং চালানের কপি আপলোড করতে হবে।

এখানে মনে রাখা দরকার, কেন এই ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প চালু হয়েছিল। আগের তৃণমূল সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ব্যাপক চুরি ও দুর্নীতির কারণে বারবার কেন্দ্রীয় টিম বাংলায় তদন্তে এসেছিল। কাটমানি সংস্কৃতির জেরে কেন্দ্র যখন আবাসের টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেয়, তখন নিজেদের পাপ ঢাকতে তৎকালীন সরকার তড়িঘড়ি চালু করে এই ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প। কিন্তু চোরের মন বোঁচকায়! এই নতুন প্রকল্পেও থাবা বসাতে ছাড়েনি বিগত জমানার দুর্নীতিবাজেরা। তবে বাংলায় এখন শুভেন্দু অধিকারীর ডবল ইঞ্জিন সরকার, যেখানে চুরির টাকা হজম করার কোনো সুযোগ নেই। প্রতিটি জেলাকে দ্রুত এই অর্থ উদ্ধারের কাজ শেষ করে নবান্নে চূড়ান্ত রিপোর্ট ও সতর্কতার প্রত্যয়নপত্র জমা দেওয়ার ডেডলাইন বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

লুটেরাদের দিন শেষ, এবার বাংলায় শুরু হয়েছে সুশাসনের আসল জমানা। গরিবের হকের টাকা যারা বেআইনিভাবে কেড়ে নিয়েছিল, তাদের থেকে টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত অভাবী মানুষের মাথার ওপর ছাদ সুনিশ্চিত করছে মোদী-শুভেন্দুর নতুন সরকার। ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের টাকা চুরি করা ১০ হাজার অযোগ্য লোকের থেকে সরকারি টাকা ফেরত নেওয়ার এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তকে আপনি কতখানি সমর্থন করেন? কমেন্ট বক্সে জানান আপনার মতামত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *