Now, women will receive financial assistance of ₹1 lakh in cash.

এবার মহিলারা পাবেন নগদ ১ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা ! বাংলায় চালু হচ্ছে ডাবল ইঞ্জিনের ‘লাখপতি দিদি যোজনা’ !

বাংলার মা-বোনেদের জন্য এবার ডবল ইঞ্জিন সরকারের সবচেয়ে বড় এবং ঐতিহাসিক ধামাকা! মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর থেকেই একের পর এক কেন্দ্রীয় জনকল্যাণমূলক প্রকল্প চালু হচ্ছে বাংলায়। আয়ুষ্মান ভারতের পর এবার রাজ্যের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর লক্ষ লক্ষ মহিলাদের ভাগ্য বদলাতে বাংলায় পা রাখছে কেন্দ্রের মোদী সরকারের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সফল প্রকল্প ‘লাখপতি দিদি যোজনা’। যেখানে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার মাধ্যমে মহিলাদের বার্ষিক আয় ১ লক্ষ টাকা করার গ্যারান্টি দিচ্ছে সরকার! শুধু তাই নয়, ব্যবসা বাড়াতে মিলবে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সম্পূর্ণ সুদমুক্ত ঋণ! কীভাবে মিলবে এই সুবিধা? কারা আবেদন করতে পারবেন?
মূলত স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের আর্থিকভাবে শক্তিশালী করা এবং তাঁদের রুজি-রোজগার ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বহুগুণ বাড়িয়ে তোলাই হলো এই লাখপতি দিদি যোজনার প্রধান উদ্দেশ্য। দেশের অন্যান্য বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে এই প্রকল্প ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এবার সেই চেনা সাফল্যের ছবি দেখা যাবে বাংলাতেও। এই প্রকল্পের আওতায় মহিলাদের কেবল আর্থিক সাহায্যই করা হয় না, বরং তাঁদের তৈরি পণ্য যাতে দেশজুড়ে বড় বড় বাজারে বিক্রি হতে পারে, তার জন্য বিশেষ খুচরা বিক্রয় কেন্দ্র বা রিটেল আউটলেটও গড়ে তুলেছে কেন্দ্র সরকার।

এই প্রকল্পের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকটি হলো মহিলাদের ব্যবসার ভিত শক্ত করার জন্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা। আসুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কী কী সুবিধা পাবেন আমাদের বাংলার দিদিরা !

স্ব-কর্মসংস্থানের মাধ্যমে প্রত্যেক মহিলার বার্ষিক আয় নূন্যতম ১ লক্ষ টাকায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য। এছাড়াও ছোট বা মাঝারি ব্যবসা শুরু করার জন্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সম্পূর্ণ সুদমুক্ত ঋণ বা লোন দেওয়া হয়। এই ঋণের ওপর সরকার বিশেষ ভর্তুকির সুবিধাও প্রদান করে। মহিলাদের কাজের দক্ষতা বাড়াতে এবং ব্যবসা পরিচালনায় দক্ষ করতে দেওয়া হয় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিশেষ সরকারি ট্রেনিং।

এখন প্রশ্ন হলো, এই দুর্দান্ত প্রকল্পে আবেদনের জন্য কী কী যোগ্যতা থাকা বাধ্যতামূলক? সরকারি নিয়ম অনুযায়ী: ১. আবেদনকারী মহিলার বয়স অবশ্যই ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সের মধ্যে হতে হবে। ২. তাঁকে যেকোনো ছোট কিংবা মাঝারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হতে হবে অথবা স্ব-কর্মসংস্থানে ইচ্ছুক হতে হবে। ৩. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আবেদনকারীকে অবশ্যই যেকোনো একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য এবং ভারতীয় নাগরিক হতে হবে।

রাজ্য সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদন মেলার পরেই লাখপতি দিদি যোজনার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনেই এর আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। আবেদনের জন্য প্রয়োজন হবে আপনার— আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ডিটেলস, পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং সচল মোবাইল নম্বর।

রাজনৈতিক মহলের মতে, কেবল নামমাত্র আর্থিক অনুদান দিয়ে ঘরের মেয়েদের আটকে না রেখে, তাঁদের স্থায়ী কর্মসংস্থানের মাধ্যমে ‘লাখপতি’ করে তোলার এই দূরদর্শী পরিকল্পনা বাংলার অর্থনীতিতে এক বিরাট বিপ্লব আনবে। শুভেন্দু সরকারের এই মাস্টারস্ট্রোক বাংলার নারীশক্তিকে প্রকৃত অর্থেই স্বাবলম্বী ও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। বাংলার মা-বোনেদের স্বনির্ভর করতে শুভেন্দু সরকারের এই ‘লাখপতি দিদি যোজনা’ চালু করার সিদ্ধান্তকে আপনি কত নম্বর দেবেন? কমেন্ট বক্সে জানান আপনার মতামত ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *