The life and contributions of Bharatkesari Syama Prasad Mookerjee are set to be included in the curriculum of Bengal.

বাংলার শিক্ষাক্রমে এবার জুড়তে চলেছে ভারতকেশরী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন ও অবদান

বাংলার পাঠ্যবইয়ে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের ইতিহাস এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা অন্তর্ভুক্ত করার দাবি নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরে শুভেন্দু অধিকারী-ঘনিষ্ঠ নেতা-মন্ত্রীরা এই দাবি তুলে আসছিলেন। তাঁদের বক্তব্য, আগামী প্রজন্মের কাছে পশ্চিমবঙ্গ গঠনের ইতিহাস এবং শ্যামাপ্রসাদের ভূমিকা সহজভাবে তুলে ধরা দরকার।এই দাবি ঘিরে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও আর্জি জানানো হয়েছিল। বলা হয়েছিল, স্কুল ও কলেজের ছাত্রছাত্রীরা যাতে বাংলার রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে জানতে পারে, সে জন্য পাঠ্যপুস্তকে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে রাখা প্রয়োজন।

 

এবার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তীতে শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন, বাংলার সিলেবাসে তাঁর নাম ও ভূমিকা যুক্ত হবে। তিনি জানান, স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় স্তর পর্যন্ত পাঠ্যবইয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।এই ঘোষণার ফলে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ও ইতিহাস পাঠের ক্ষেত্রে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। সমর্থকদের মতে, এর মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা বাংলার ইতিহাস সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাবে।

শ্যামাপ্রসাদের জন্ম-জয়ন্তী উপলক্ষ্যে মিত্র ইনস্টিটিউশনে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বলেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে পশ্চিমবাংলার পাঠ্যপুস্তকে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পশ্চিমবঙ্গ সৃষ্টি, রাষ্ট্রপ্রেম, অখণ্ড ভারতের ভাবনা, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ ভূমিকে ভারত মাতার চরণে আশ্রয় নেওয়ার যে সুযোগ করে দিয়েছিলেন, সেই ভারত কেশরীর ভূমিকা সম্পর্কে বর্তমান প্রজন্মকে জানাতে হবে।শুভেন্দু জানান, ঘরে ঘরে পূজিত হবেন শ্যামাপ্রসাদ। এই সরকার তাঁর স্বপ্ন পূরণ করবে। শ্যামাপ্রসাদের বিচারধারায় সরকার চলবে।

 

কোন কোন বিষয়কে পাঠ্য়পুস্তকে রাখা হবে? শুভেন্দু অধিকারী জানান,শ্যামাপ্রসাদের কর্মজীবন, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাপ্রসারে তাঁর যে যোগদান, অবদান, তা সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর মতে, শ্যামাপ্রসাদের অবদান বিদ্যালয়ের সিলেবাস ব্যবস্থা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত মুদ্রিত, পঠিত ও চর্চিত হওয়া উচিৎ।ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিটিউশনে ১৯০৬ থেকে ১৯১৭ পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন শ্যামাপ্রসাদ। ১৯২৪-১৯৩৮ পর্যন্ত স্কুল পরিচালনাতেও তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য।মিত্র ইনস্টিটিউশন স্কুলের উন্নতিতে একাধিক ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বিদ্যালয়টি সংস্কারের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও জানান তিনি। স্কুলের পুনর্গঠনের জন্য নিজের বিধায়ক তহবিল থেকে ২৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা জানান শুভেন্দু। তিনি আরও জানান, স্কুলের নির্মাণ অবয়বের পরিবর্তন না করে সংস্কার করা হবে। এই স্কুল অন্তর্ভুক্ত হবে পিএম শ্রী প্রকল্পে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *