Army personnel fulfill the needs of martyred brother

শহিদ ভাইয়ের অভাব পূরণ করলেন সেনাসদস্যরা!

হিমাচলের মেয়ে আরাধনার বিয়েতে ঘটল এক আবেগঘন মুহূর্ত। আরাধনার ভাই আশীষ কুমার ছিলেন ভারতীয় সেনার জওয়ান। দেশ রক্ষার লড়াইতে শহিদ হন তিনি। জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিনে—নিজের ভাইয়ের উপস্থিতি পাওয়ার কথা ছিল আরাধনার, কিন্তু সেই স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে যায়।

তবে আশীষ কুমারের রেজিমেন্টের সৈনিকরা সেই অভাব পূরণ করলেন অসাধারণভাবে। কনের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁরা একে একে পালন করলেন ভাইয়ের সব দায়িত্ব।

কনেকে মণ্ডপে পৌঁছে দেওয়া থেকে শুরু করে বিয়ের প্রতিটি আচার-অনুষ্ঠান, এমনকি শ্বশুরবাড়ি পৌঁছানোর দায়িত্বও কাঁধে তুলে নেন সেনাসদস্যরা। আরাধনার চোখে জল এলেও, সৈনিক ভাইয়েরা তাঁকে হাসিমুখে আশ্বস্ত করেন।

সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত আসে যখন সৈনিকরা আরাধনার হাতে একটি ফিক্সড ডিপোজিট তুলে দেন। সঙ্গে বলেন,
“তোমার ভাই আশীষের আশীর্বাদ আজও তোমার সঙ্গে আছে। আমরা সবসময় তোমার পাশে আছি।”

এই দৃশ্য শুধু আরাধনা ও তাঁর পরিবারের চোখেই জল আনেনি, বরং উপস্থিত সকলের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে।

দেশের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করা এক শহিদের প্রতি এ এক অনন্য সম্মান। আবারও প্রমাণ হলো—সেনাবাহিনীর সম্পর্ক শুধু দায়িত্বেই সীমাবদ্ধ নয়, ভালোবাসা ও আত্মত্যাগে ভরা এক পরিবারের মতোই।

বিস্তারিত পটভূমি ও সংযোজন

  • শহিদ হওয়া ঘটনার বিবরণ:
    আশীষ কুমার ২৭ আগস্ট ২০২৪-তে “Operation Alert” অভিযানকালে অরুণাচল প্রদেশে শহিদ হন।

  • কৌশল ও জাতীয় ভাবনা:
    এটি শুধু একটি পারিবারিক দায়িত্ব নয়, এক মানবিক ও ন্যায্য সঙ্গেই জুড়ে গিয়েছে—যে পরিবার শহিতে শহিদ হয়েছেন, তাঁদের পাশে দাঁড়ানো সামরিক বোন ও ভাইদের নৈতিক দায়বোধকেও প্রকাশ করেছে।

  • সেনা পরিবার ও রেজিমেন্ট বন্ধুত্ব:
    এই ঘটনা প্রমাণ করে যে সেনাবাহিনীর বন্ধন শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়—এটি পরিবার, বন্ধন, দায়িত্ব, ভালোবাসার এক গভীর মর্মস্পর্শী বন্ধন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *