ভোট যুদ্ধের দামামা বেজে গিয়েছে। দিকে দিকে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। এদিকে এই প্রাক আবহে একের পর এক নয়া নির্দেশিকা জারি করে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। আর এবার ২০২১ ও ২০২৪-এর নির্বাচনের কথা মনে করিয়ে আরও একবার সেই একই নির্দেশিকা জারি করলো ভোট কমিশন। সম্প্রতি জানিয়ে দেওয়া হল, নির্বাচনের কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না গ্রিন পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের। এমনকি, ভোটের ২দিন আগে থেকে ভোটের এক দিন পর পর্যন্ত তাদের ইউনিফর্ম পড়ে কোনো দায়িত্ব সামলাতে দেওয়া যাবে না। ইতিমধ্যেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে পাঠানো এই সংক্রান্ত চিঠি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক ও রাজ্যের মুখ্য সচিবের কাছে পৌঁছে গিয়েছে বলেও সূত্র মারফত জানা গিয়েছে।
অন্যদিকে, এই একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে ফের এক নয়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জারি করা এক ফ্যাক্স বার্তায় জানানো হয়েছে, বাংলায় আরও ১৫০ কোম্পানি CAPFs, SAPs 9
ও IR ব্যাটালিয়ন মোতায়েন করা হবে স্রেফ অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে। যদিও এর আগে ২৪০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। আর এবার সেই ধারাবাহিকতায় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী আরও অতিরিক্ত বাহিনী পাঠানো হচ্ছে। যারা আগামী ১৮ই এপ্রিলের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছে যাবে। বলে রাখা ভালো, CRPF, BSF, CISF এবং SSB মিলিয়ে মোট ৯৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। এছাড়া, অসম, বিহার, ঝাড়খণ্ড, মিজোরাম, মেঘালয়, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, ছত্রিশগড় থেকে আরও ৫৫ কোম্পানি SAPs/IR ব্যাটালিয়নের আসতে চলেছে। মূলত, রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এহেন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহের বুধবার রাজ্যের সমস্ত পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। সেখানে পর্যবেক্ষকদের স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়, কোন কোন ক্ষেত্রে রিপোল হবে। সেই সঙ্গে কমিশনের ৩ হাজার ক্যামেরা বুথের ভিতর ও বাইরে, রাস্তায়, নাকা চেকিং-এর কাজ করছে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া, বুথের ক্যামেরায় কালো কাপড় কিংবা বুথের ক্যামেরা বন্ধ দেখলে সেই কেন্দ্রে আবারও ভোট করা হবে বলেও এদিন ঘোষণা করা হয়। এ প্রসঙ্গে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানিয়েছেন, অতীতে এই রাজ্যে এমন ঘটনার বহু নজির আছে। তাই এ বিষয়ে নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ক্যামেরায় গলদ দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়ারও।
কমিশনের একের পর এক এমন সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক বিশ্লেষকের দাবি, বাংলায় নিরাপদে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে ভীষণভাবে তৎপর জাতীয় নির্বাচন কমিশন। যার জেরে রাজ্যে বহু সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠিয়েছে কমিশন। ইতিমধ্যেই বাংলার বহু জায়গায় চলছে নাকা চেকিং। যদিও ভোটের বাকি আর মাত্র কিছুদিন। তারপরই ভোট গ্রহণ শুরু। এবার মাত্র দু’দফায় বাংলায় ভোট গ্রহণ হতে চলেছে। আগামী ২৩ শে এপ্রিল প্রথম দফা এবং দ্বিতীয় দফাও ভোট গ্রহণ হবে আগামী ২৮ শে এপ্রিল। আর এই ২৯৪টি আসনের ফলাফল ঘোষণা হবে আগামী ৪ঠা মে। বলা ভালো, ওই দিনই ভাগ্য নির্ধারণ হবে বাংলার সরকারের। কারণ নবান্নের দায়িত্বে কে বসবেন সে বিষয়ে জনতার কি মত, তা তো ওই দিনই জানা যাবে। আপনার কি মনে হয়? জানান কমেন্টে!
ভোট যুদ্ধের দামামা বেজে গিয়েছে। দিকে দিকে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। এদিকে এই প্রাক আবহে একের পর এক নয়া নির্দেশিকা জারি করে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। আর এবার ২০২১ ও ২০২৪-এর নির্বাচনের কথা মনে করিয়ে আরও একবার সেই একই নির্দেশিকা জারি করলো ভোট কমিশন। সম্প্রতি জানিয়ে দেওয়া হল, নির্বাচনের কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না গ্রিন পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের। এমনকি, ভোটের ২দিন আগে থেকে ভোটের এক দিন পর পর্যন্ত তাদের ইউনিফর্ম পড়ে কোনো দায়িত্ব সামলাতে দেওয়া যাবে না। ইতিমধ্যেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে পাঠানো এই সংক্রান্ত চিঠি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক ও রাজ্যের মুখ্য সচিবের কাছে পৌঁছে গিয়েছে বলেও সূত্র মারফত জানা গিয়েছে।
অন্যদিকে, এই একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে ফের এক নয়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জারি করা এক ফ্যাক্স বার্তায় জানানো হয়েছে, বাংলায় আরও ১৫০ কোম্পানি CAPFs, SAPs 9
ও IR ব্যাটালিয়ন মোতায়েন করা হবে স্রেফ অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে। যদিও এর আগে ২৪০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। আর এবার সেই ধারাবাহিকতায় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী আরও অতিরিক্ত বাহিনী পাঠানো হচ্ছে। যারা আগামী ১৮ই এপ্রিলের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছে যাবে। বলে রাখা ভালো, CRPF, BSF, CISF এবং SSB মিলিয়ে মোট ৯৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। এছাড়া, অসম, বিহার, ঝাড়খণ্ড, মিজোরাম, মেঘালয়, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, ছত্রিশগড় থেকে আরও ৫৫ কোম্পানি SAPs/IR ব্যাটালিয়নের আসতে চলেছে। মূলত, রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এহেন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহের বুধবার রাজ্যের সমস্ত পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। সেখানে পর্যবেক্ষকদের স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়, কোন কোন ক্ষেত্রে রিপোল হবে। সেই সঙ্গে কমিশনের ৩ হাজার ক্যামেরা বুথের ভিতর ও বাইরে, রাস্তায়, নাকা চেকিং-এর কাজ করছে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া, বুথের ক্যামেরায় কালো কাপড় কিংবা বুথের ক্যামেরা বন্ধ দেখলে সেই কেন্দ্রে আবারও ভোট করা হবে বলেও এদিন ঘোষণা করা হয়। এ প্রসঙ্গে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানিয়েছেন, অতীতে এই রাজ্যে এমন ঘটনার বহু নজির আছে। তাই এ বিষয়ে নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ক্যামেরায় গলদ দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়ারও।
কমিশনের একের পর এক এমন সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক বিশ্লেষকের দাবি, বাংলায় নিরাপদে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে ভীষণভাবে তৎপর জাতীয় নির্বাচন কমিশন। যার জেরে রাজ্যে বহু সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠিয়েছে কমিশন। ইতিমধ্যেই বাংলার বহু জায়গায় চলছে নাকা চেকিং। যদিও ভোটের বাকি আর মাত্র কিছুদিন। তারপরই ভোট গ্রহণ শুরু। এবার মাত্র দু’দফায় বাংলায় ভোট গ্রহণ হতে চলেছে। আগামী ২৩ শে এপ্রিল প্রথম দফা এবং দ্বিতীয় দফাও ভোট গ্রহণ হবে আগামী ২৮ শে এপ্রিল। আর এই ২৯৪টি আসনের ফলাফল ঘোষণা হবে আগামী ৪ঠা মে। বলা ভালো, ওই দিনই ভাগ্য নির্ধারণ হবে বাংলার সরকারের। কারণ নবান্নের দায়িত্বে কে বসবেন সে বিষয়ে জনতার কি মত, তা তো ওই দিনই জানা যাবে। আপনার কি মনে হয়?