দীর্ঘ ৭ বছর পর চিনে প্রথমবার পা রাখলেন নরেন্দ্র মোদী। গত শনিবার সাংহাই কর্পোরেশন অরগানাইজেশনের সামিটে যোগ দিতে শি জিনপিংয়ের দেশে পৌঁছে গিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সোমবার শেষ হয়েছে সেই সম্মেলন। যদিও বেশ ভালোভাবেই সবটা সম্পন্ন হয়েছে। আর এরপরই সভার সবচেয়ে জনপ্রিয় মুখ হয়ে উঠলেন নরেন্দ্র মোদী। যদিও ভারতের প্রধানমন্ত্রী সে দেশে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই ‘ভারত মাতা কি জয়’, ‘বন্দেমাতরম’ ধ্বনি দিয়ে তাকে স্বাগত জানানো হয়। সেই সঙ্গে চিনা শিল্পীদের নানা আয়োজনে নরেন্দ্র মোদীকে অভ্যর্থনা জানান তারা।
আর এসবের পরই বিবিসির প্রাক্তন সাংবাদিক আদিল ব্রার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে লেখেন, “চিনের সার্চ ইঞ্জিন বাইডু-তে এক নম্বরে ট্রেন্ড রয়েছে মোদী-পুতিনের আলিঙ্গন।” না, শুধু আলিঙ্গন বললে ভুল হবে! মোদী-পুতিনের একই গাড়িতে চেপে রওনা দেওয়ার ব্যাপারটাও বেশ নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। বলা ভালো, এই দৃশ্য-ও এখন নম্বর ওয়ানে রয়েছে। না, চিনে গুগল ব্যবহার হয় না, কারণ তাদের নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে। আর সেখানেই বর্তমানে চর্চিত মুখ হয়ে উঠেছেন মোদী-পুতিন।
সূত্রের খবর, দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে এদিন প্রায় ৪৫ মিনিট গাড়ির ভিতরে বসেই নানা ইস্যুতে আলাপচারিতা সেরেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও পুতিন। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, ‘তাদের মধ্যে ইউক্রেন সংঘাত থেকে দুই দেশের বাণিজ্য, প্রতিটি বিষয়েই কথা হয়েছে।’ এমনকি, ইউক্রেনে শান্তি ফেরাতে পুতিনও যে আগ্রহী সে কথাও জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে তার নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন নমো। তবে, এসবের মধ্যেও রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের এই সু সম্পর্কে তেলে-বেগুনে জ্বলছে আমেরিকা সরকার। আর ঠিক সে কারণেই ভারতের ওপর ট্যাক্স বাড়ানোর জন্য ইউরোপকেও উস্কানি দিচ্ছে ট্রাম্পের সরকার। আর এই সব মিলিয়ে ভারত কি পদক্ষেপ নেয়, সেই সঙ্গে পাশে কতটা শক্তিশালী দেশের সাহায্য পায় সেটাই এখন দেখার।