If a Babri Masjid is built in Bengal, it will be razed to the ground! Direct warning to Rejinagar MLA Humayun Kabir from the Vishwa Hindu Raksha Parishad!

বাবরি মসজিদ বাংলায় তৈরি হলে তা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে ! রেজিনগরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে সরাসরি হুঁশিয়ারি বিশ্ব হিন্দু রক্ষা পরিষদের!

বাংলার রাজনীতিতে এবং ধর্মীয় মেরুকরণের আবহে এবার এক বিস্ফোরক ও চরম হুঁশিয়ারি ধেয়ে এলো রেজিনগরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের দিকে। বিশ্ব হিন্দু রক্ষা পরিষদের সভাপতি গোপাল রাই সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন বিধায়কের উদ্দেশ্যে। সম্প্রতি এক জনসভায় প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর যেভাবে বাবরি মসজিদ পুনর্নির্মাণের ঘোষণা দিয়ে স্লোগান তুলেছিলেন, তার পাল্টা জবাবে বঙ্গে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। গোপাল রাই স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে, বাবর ছিলেন একজন বহিরাগত আক্রমণকারী, যিনি ইতিহাসের পাতায় লক্ষ লক্ষ হিন্দুর ওপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়েছিলেন এবং হিন্দুদের হত্যা করেছিলেন। সেই অত্যাচারী বাবরের নামে যদি বাংলায় কোনো মসজিদ নির্মাণের চেষ্টা করা হয়, তবে তা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। বিশ্ব হিন্দু রক্ষা পরিষদ সেই নির্মাণ ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে দ্বিধা করবে না। এই প্রসঙ্গে দেশজুড়ে আলোড়ন তোলা সেই পুরনো স্লোগানকে নতুন করে মনে করিয়ে দিয়ে গোপাল রাই গর্জে উঠে বলেন, হুমায়ুন, আমরা আসব এবং তোমার সেই বাবরি গুঁড়িয়ে দেব। জাতীয় গণমাধ্যমে টানা পাঁচ দিন ধরে এই বিষয়টি নিয়ে তুমুল বিতর্ক চলেছে এবং সংগঠনটির পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই ওই এলাকায় একটি সমীক্ষাও চালানো হয়েছে। আপাতত সেই নির্মাণকাজ থমকে থাকলেও, গোপাল রাইয়ের এই হুঁশিয়ারি বাংলার আইনশৃঙ্খলার ক্ষেত্রে এক নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

এই সংঘাত কেবল একটি মসজিদ নির্মাণের ঘোষণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, এর গভীরে জড়িয়ে রয়েছে এক তীব্র মানবিক সংকট এবং সামাজিক অস্থিরতার গল্প। বিশ্ব হিন্দু রক্ষা পরিষদের সভাপতি দাবি করেছেন যে, গোটা দেশজুড়ে আজ প্রায় দুই লাখ হিন্দু প্রতিনিয়ত ধর্মান্তকরণ ও তথাকথিত লাভ জিহাদের শিকার হচ্ছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের তেরো থেকে ষোলো বছর বয়সী নাবালিকা মেয়েরা আজ এক শ্রেণীর মানুষের লালসার শিকার হচ্ছে, কারণ দরিদ্র হওয়ার কারণে তাদের পরিবার কোনো শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারছে না। এই অসহায় কান্নার আওয়াজ সাধারণ মানুষের মনে এক গভীর ক্ষোভ ও আতঙ্কের জন্ম দিচ্ছে। জামালুদ্দিন ওরফে চাঙ্গুর বাবার মতো বড়সড় আন্তর্জাতিক র‍্যাকেট পরিচালনাকারীকে জেলে পাঠানোর পেছনে তাদের সংগঠনের নিরলস লড়াই এবং দীর্ঘ বিশ বছরের নেটওয়ার্কের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট করেন যে, হিন্দুদের স্বার্থ রক্ষায় তারা কতটা মরিয়া। আজ বাংলার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা পরিস্থিতি কতটা শোচনীয়, তা বোঝাতে গিয়ে গোপাল রাই এক নির্যাতিতা মহিলার থানায় গিয়ে সুবিচার না পাওয়ার কথাও তুলে ধরেন। যেখানে পুলিশ প্রশাসন সাধারণ মানুষের কান্না না শুনে উল্টে অভিযুক্তদের পক্ষ নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। এই চরম সামাজিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝে হুমায়ুন কবীর বনাম গোপাল রাইয়ের এই সংঘাত আগামী দিনে বাংলার বুকে কী রূপ নেয়, এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় সম্প্রীতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার সবচেয়ে বড় বিষয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *