Is there a Pakistani link behind the Delhi protests? Is incitement being spread on social media from Pakistan?

দিল্লির আন্দোলনের নেপথ্যে পাকিস্তানি যোগ? পাকিস্তান থেকে কি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো হচ্ছে উস্কানি?

দিল্লিতে চলা আন্দোলনকে ঘিরে এবার নতুন বিতর্ক সামনে এসেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের সূত্রের দাবি, আন্দোলনকে ঘিরে পাকিস্তান থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়ভাবে প্রচার চালানো হচ্ছে। শুধু সমর্থনের পোস্ট নয়, আন্দোলনকে আরও উস্কে দেওয়ার চেষ্টা এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারও করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। যদিও এই দাবি এখনও সরকারি তদন্ত ও যাচাইয়ের বিষয়।সূত্রের দাবি, সরকারের নজরে এসেছে ৪০০-রও বেশি এক্স অ্যাকাউন্ট। অভিযোগ, এই অ্যাকাউন্টগুলির অনেকগুলিই পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হচ্ছে বা পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত। সরকারের তরফে সেই অ্যাকাউন্টগুলির কার্যকলাপ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে সেগুলি বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করা হতে পারে।

 

বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া শুধু মত প্রকাশের জায়গা নয়, জনমত গঠনেরও বড় মাধ্যম। তাই কোনও আন্দোলনকে ঘিরে যদি বিদেশ থেকে পরিকল্পিত প্রচার চালানো হয়, তাহলে তা প্রশাসনের কাছে উদ্বেগের বিষয় হয়ে ওঠে। কারণ এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানো বা পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করার চেষ্টা হতে পারে।অন্যদিকে, দিল্লিতে আন্দোলনের সময় কোথাও কোথাও হিংসা ও ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে। সেই কারণেই দিল্লি পুলিশ কড়া অবস্থান নিয়েছে। পুলিশের বার্তা, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকার হলেও আইন হাতে তুলে নিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

সূত্রের দাবি, যাঁরা হিংসা, ভাঙচুর বা দাঙ্গায় জড়িত বলে প্রমাণিত হবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে শুধু ফৌজদারি মামলাই নয়, পাসপোর্ট বাতিলের প্রক্রিয়াও শুরু হতে পারে। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য, ভবিষ্যতে এমন ঘটনায় জড়ানোর আগে মানুষকে সতর্ক করা এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও বাড়তে পারে। একদিকে সরকার বিদেশি প্রভাব ও নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরছে। অন্যদিকে বিরোধীরা এই অভিযোগের প্রমাণ ও তদন্তের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে। ফলে আন্দোলনের পাশাপাশি রাজনৈতিক চাপানউতোরও আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এবার দিল্লির আন্দোলন এখন শুধু একটি প্রতিবাদ কর্মসূচি নয়, জাতীয় নিরাপত্তা, সোশ্যাল মিডিয়ার ভূমিকা এবং আইন-শৃঙ্খলার মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে। তবে পাকিস্তানি যোগের অভিযোগ এবং সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলির ভূমিকা সম্পর্কে চূড়ান্ত সত্য কী, তা তদন্ত শেষ হওয়ার পরই স্পষ্ট হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *