How did the son of a retired father study in America? Where did the money for his studies come from? Questions surround the family of CJP founder Abhijit Deepak

অবসরপ্রাপ্ত বাবার ছেলে কীভাবে আমেরিকায় পড়লেন? কোথা থেকে এল পড়াশোনার খরচ? সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের পরিবারকে ঘিরে প্র

ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের বাবার আর্থিক উৎস জানতে চেয়ে তদন্তর দাবি জানালেন এক ব্যক্তি। তাঁর নাম অমিত তিওয়ারি। সুরাতের ওই তথ্যের অধিকার কর্মী জানতে চেয়েছেন, মহারাষ্ট্র সরকারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী ভগবানরাও দিপকে কীভাবে ছেলের উচ্চশিক্ষার জন্য টাকা জোগাড় করলেন। অমিত তিওয়ারি নির্বাচন কমিশন, কর কর্তৃপক্ষ এবং কেন্দ্রীয় পরোক্ষ কর ও শুল্ক বোর্ড বা CBIC-র কাছে একাধিক অভিযোগ ও আবেদন জমা দিয়েছেন।

তাঁর মূল দাবি, মহারাষ্ট্র সরকারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী ভগবানরাও দীপকের আর্থিক সামর্থ্যের সঙ্গে তাঁর ছেলে অভিজিৎ দীপকের যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার ব্যয় সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা তদন্ত করে দেখা উচিত। অভিজিৎ দীপকের শিক্ষাজীবনের দিকে তাকালে দেখা যায়, তিনি মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদে স্কুলশিক্ষা শেষ করেন। এরপর পুনের গভর্মেন্ট কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে পুনে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বস্টন ইউনিভার্সিটি থেকে পাবলিক রিলেশনস ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

বিদেশে পড়াশোনার খরচ কীভাবে বহন করা হয়েছে, সেটিই তদন্ত করে দেখার দাবি তুলেছেন অমিত তিওয়ারি। তিওয়ারির দাবি, CJP এখনও নির্বাচন কমিশনের অধীনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নয়। অথচ তারা রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে কাজ করছে এবং অর্থ সংগ্রহ করছে বলে অভিযোগ। তাঁর বক্তব্য, যদি সত্যিই CJP রাজনৈতিক দলের মতো কাজ করে থাকে, তাহলে গণপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ২৯এ ধারার আওতায় তারা নিবন্ধিত কি না, তা নির্বাচন কমিশনের খতিয়ে দেখা উচিত।

এর পাশাপাশি আরও একটি বিষয় সামনে এসেছে। দিল্লি পুলিশের মামলায় অভিযুক্ত আন্দোলনকারীদের আইনি সহায়তার জন্য প্রবীণ আইনজীবী এবং রাজ্যসভার সাংসদ কপিল সিবল ১ কোটি টাকার একটি আইনি সহায়তা তহবিলের ঘোষণা করেছেন বলে জানানো হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, এই তহবিল CJP গঠন করেছে। এই তহবিল নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অমিত তিওয়ারি। তিনি CBIC-র কাছে আবেদন করে জানতে চেয়েছেন, এই ধরনের ১ কোটি টাকার আইনি সহায়তা তহবিলের ক্ষেত্রে GST প্রযোজ্য কি না, এবং বিষয়টি আইন অনুযায়ী পরীক্ষা করা উচিত কি না।

উল্লেখ্য, NEET প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে আন্দোলনের সময় দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া আন্দোলনকারীদের আইনি সহায়তার জন্য কপিল সিবল সোমবার ১ কোটি টাকার তহবিল ঘোষণার কথা জানিয়েছিলেন। এই তহবিলটি ককরোচ জনতা পার্টি গঠন করেছে বলে জানানো হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *