After 'Annapurna Bhandar', a ₹3,000 allowance has now been launched for the unemployed! Nabanna has provided a major update regarding the 'Yubashakti' scheme!

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের পর এবার বেকারদের জন্য শুরু ৩,০০০ টাকা ভাতা! যুবশক্তি প্রকল্প নিয়ে বিরাট আপডেট দিল নবান্ন!

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের অভাবনীয় সাফল্যের পর এবার রাজ্যের লাখ লাখ বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য আসতে চলেছে এক দারুণ ও স্বস্তিদায়ক খবর! লোকসভা নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করে নব্য রাজ্য সরকার চালু করতে চলেছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘যুবশক্তি’ প্রকল্প। রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সাধারণ মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন ছিল— ঠিক কবে থেকে যুবশক্তি ভরসা কার্ডের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং মাসে ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পেতে কী কী যোগ্যতা ও কাগজপত্রের প্রয়োজন પડશે? এবার সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর নিয়ে সামনে এলো এক বিরাট ও চাঞ্চল্যকর আপডেট!

সম্প্রতি রাজ্য বাজেটে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন যে, আগামী অক্টোবর মাস থেকেই যোগ্য আবেদনকারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি যুবশক্তি প্রকল্পের ভাতার টাকা পাঠানো শুরু হবে। সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রকল্পের আওতায় যে সমস্ত আবেদনকারী অন্তত পক্ষে গ্র্যাজুয়েট বা স্নাতক পাস করেছেন, তাঁরা প্রতি মাসে পাবেন ৩,০০০ টাকা করে স্কলারশিপ বা ভাতা। আর যাঁরা গ্র্যাজুয়েট নন কিন্তু অন্তত মাধ্যমিক পাস করেছেন, তাঁরা পাবেন প্রতি মাসে ২,০০০ টাকা। ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী রাজ্যের যে কোনো স্থায়ী বাসিন্দা, যিনি বর্তমানে সম্পূর্ণ কর্মহীন, তিনি এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

যদিও প্রশাসনিকভাবে ফর্ম ফিল-আপের সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি, তবে রাজ্য সরকারের প্রস্তুতি দেখে মনে করা হচ্ছে— আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকেই যুবশক্তি পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে যাবে। তাই শেষ মুহূর্তের ভিড় এড়াতে আগেভাগেই সমস্ত নথিপত্র গুছিয়ে রাখার পরামর্শ দিচ্ছে ওয়াকিবহাল মহল। আবেদন করার জন্য রঙিন পাসপোর্ট ছবি, শিক্ষাগত যোগ্যতার সব মার্কশিট ও সার্টিফিকেট, ব্যাঙ্ক পাসবুকের জেরক্স এবং ভোটার ও আধার কার্ডের মতো প্রাথমিক নথিপত্র হাতের কাছে গুছিয়ে রাখতে হবে। তো রাজ্যের যুবসমাজকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিতে এবং বেকারত্ব দূরীকরণে নব্য রাজ্য সরকারের এই সময়োপযোগী ও বড় পদক্ষেপ সত্যিই এক আত্মনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলার নতুন দিশা দেখাচ্ছে!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *