টাকা দিয়ে বিজেপির বদনাম করাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় !
১৫ বছরের ব্যার্থতা ঢাকতে রাজনীতির সলতে পাকাচ্ছে কালীঘাট !
পার্ক স্ট্রিটের বিতর্ক নিয়ে এবার শোরগোল বিজেপির দফতরে !
পার্ক স্ট্রিটের দুধ গরম কাণ্ডের মহিলা এবার মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে !
তাতেই সামনে এলো বিজেপির বিরুদ্ধে কুৎসা করতে প্রলোভন আর টাকার খেলা!
সল্টলেকে দাঁড়িয়েই বিরোধীদের মুখোশ খুলে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী!
কিন্তু পার্ক স্ট্রিটের সেই মহিলা আচমকা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কেন গেলেন ?
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কী তাহলে সত্যিই বিজেপির বদনাম করছে তৃণমূল?
ওই মহিলার সাথে দেখা করে কোন বড় চক্রান্তের কথা সামনে আনলেন মুখ্যমন্ত্রী?
পার্ক স্ট্রিটের ফুটপাথে স্টোভ জ্বালিয়ে শিশুকে দুধ গরম করাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া রাজনৈতিক লড়াই এবার নিল এক নাটকীয় মোড়! শহর কলকাতার ব্যস্ত রাজপথে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকে তোয়াক্কা না করে স্টোভ জ্বালানো নিয়ে যখন প্রশাসনিক স্তরে শোরগোল, ঠিক তখনই মঙ্গলবারে সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয় প্রাঙ্গণে ফুটপাথবাসী সেই মহিলার আকস্মিক উপস্থিতি ঘিরে চরম চাঞ্চল্য তৈরি হলো।
জনতার দরবার সেরে সল্টলেক দফতর থেকে বেরোচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ঠিক সেই মুহূর্তেই কোলের শিশুকে নিয়ে এসে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন ওই মহিলা। তবে এই দৃশ্য দেখেই মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত স্নেহের সাথে শিশুকে আশ্বস্ত করেন এবং স্পষ্ট জানিয়ে দেন— বর্তমান সরকার সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সাধারণ প্রতিটি মানুষের পাশে রয়েছে এবং ফুটপাথে বিপজ্জনকভাবে না থেকে সুনির্দিষ্ট বাসস্থানের সার্বিক ব্যবস্থা কর্পোরেশনের মাধ্যমে করে দেওয়া হবে।
তবে এর সাথেই ঘটনাটিতে যোগ হলো চরম রাজনৈতিক বিস্ফোরক টুইস্ট! সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃনমূল কংগ্রেসকে একহাত নেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অত্যন্ত কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়ে তিনি দাবি করেন— বিগত ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থেকেও সাধারণ ফুটপাথবাসী বা এই পরিবারগুলির কোনো নুন্যতম খোঁজখবর নেয়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এমনকি এখন নিজেদের প্রশাসনিক ব্যর্থতা ঢাকতে এই সমস্ত অসহায় মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে, আড়ালে লোক পাঠিয়ে টাকা দিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে মুখ খুলতে বাধ্য করা হচ্ছে। রাজনীতি করতে গিয়ে এই ধরণের নীচ মানসিকতার তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।
অন্যদিকে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের প্রশাসনিক রুখ ও অবস্থানকেও পূর্ণ সমর্থন জানান নেতৃত্ব। কোনো রাজনৈতিক স্বার্থে নয়, বরং ব্যস্ত রাস্তায় উনুন বা স্টোভ জ্বালিয়ে যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারতো এক মারাত্মক বিপর্যয়! যদি সেদিন কোনো অগ্নিকাণ্ড বা দুর্ঘটনা ঘটতো, তবে এই বিরোধীরাই কিন্তু কাঠগড়ায় তুলতো প্রশাসনকে। ফলে সাধারণ মানুষের জীবনের তোয়াক্কা না করে যারা আজ সস্তা রাজনীতির রুটি সেঁকতে ব্যস্ত, তাঁদের আসল চেহারাটিই আজ আমজনতার কাছে একেবারে পরিষ্কার হয়ে গেল।