দুর্গাপুজো মিটলেই রাজ্যে পুরভোটের দামামা! নবান্ন দখলের পর এবার পুরসভা দখলে গুটি সাজাচ্ছে বিজেপি !

*39* l *_পুরভোট_* l *30.08.2026*

দুর্গাপুজো মিটলেই রাজ্যে পুরভোটের দামামা!

নবান্ন দখলের পর এবার পুরসভা দখলে গুটি সাজাচ্ছে বিজেপি !

২০৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৭০-১৮০টিতে জয়ের বিশাল টার্গেট!

আর তার সাথেই দলের অন্দরে শুরু হয়েছে টিকিট পাওয়ার লড়াই !

পুরনো না নতুন নয় যে জিতবে টিকিট সেই পাবে !

প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে সুকান্ত মজুমদারের এক কথাতেই শোরগোল শুরু !

তাহলে কী এবার বিজেপিতে সমান গুরুত্ব পাবে নতুনরাও?

পুরভোটে টিকিট পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে কারা?

কোন কোন শর্ত দেখে পুরভোটের প্রার্থী বাঁচবে বিজেপি?

বিজেপির পুরসভা দখলের রুটম্যাপ নিয়ে ঠিক কী বললেন সুকান্ত মজুমদার ?

শারদোৎসব শেষ হতে না হতেই তিলোত্তমা কলকাতা ও হাওড়ায় বাজতে চলেছে পুর নির্বাচনের দামামা! আর বিধানসভা নির্বাচনের সাফল্যের পর এই দুই হেভিওয়েট পুরনিগম নিজেদের দখলে আনতে ইতিমধ্যেই কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। কিন্তু ভোটের টিকিট আসলে কাদের পকেটে ঢুকবে? পুরনো নিষ্ঠাবান কর্মী নাকি নতুন আসা প্রভাবশালী মুখ? এই সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে রবিবার এক অত্যন্ত শানিত ও স্পষ্ট বার্তা দিলেন কলকাতা পুরভোটের ইনচার্জ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট জানিয়ে দেন— দলীয় সংগঠনের পদ দেওয়ার ক্ষেত্রে কে কতদিন ধরে দলের সঙ্গে যুক্ত বা কার সাংগঠনিক দক্ষতা কেমন, তা বিচার করা হতে পারে। কিন্তু ভোটের ময়দানে জেতার হিসেবটা একেবারেই আলাদা! আসন্ন পুরভোটে একটাই মাত্র বড় শর্ত দেখা হবে— যিনি নিজের ওয়ার্ডে জয় ছিনিয়ে আনতে পারবেন, তাঁর জনপ্রিয়তাই যাঁর প্রধান হাতিয়ার, টিকিট পাবেন ঠিক তিনিই! অর্থাৎ ‘উইনাবিলিটি’ বা জেতার ক্ষমতাই হবে প্রার্থী বাছাইয়ের মূল চাবিকাঠি।

তাহলে কি নব্য বিজেপি নেতারাও টিকিট পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকবেন? এই প্রশ্নের জবাবে অবশ্য কড়া ও চতুর উত্তর দিয়েছেন সুকান্ত। তিনি জানান— কে নব্য আর কে পুরনো, সেই নিয়ে আলাদা কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আর দল তো আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে নতুন করে যোগদান করায়নি! কেউ যদি হঠাৎ করে নিজেকে বিজেপির নেতা বলে দাবি করে বসেন, তবে সেখানে দলের কিছু করার নেই।

দুর্গাপুজোর পরেই কলকাতা ও হাওড়া পুরনিগমের ভোট হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই বিজেপির তরফে কলকাতায় সুকান্ত মজুমদার এবং হাওড়ায় রাহুল সিনহাকে নির্বাচনী ইনচার্জের গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঘনঘন বৈঠক, কৌশল নির্ধারণ ও জনসংযোগের মাধ্যমে অলআউট ঝাঁপানোর প্রস্তুতি তুঙ্গে। বিধানসভার ফলাফলের ট্রেন্ড টেনে সুকান্ত দাবি করেছেন, কলকাতার বর্তমান প্রেক্ষাপটে ২০৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে অন্তত ১৭০ থেকে ১৮০টি আসনে বিজেপি জয়ী হবে। ফলে শারদোৎসবের আলো নিভতেই কলকাতার রাজনীতি যে এক চরম হাই-ভোল্টেজ লড়াইয়ের সাক্ষী হতে চলেছে, তা সুকান্তের এই বার্তাতেই পরিষ্কার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *