৩ হিন্দু মেয়েকে বিয়ে করে ধর্মান্ততকরণ উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে এমনই এক ঘটনাকে ঘিরে এখন তীব্র চাঞ্চল্য! তাহলে আসল ঘটনা কী?

উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রাম। সম্প্রতি এখানেই একটি বিয়েকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। অভিযোগ উঠেছে, এক মুসলিম যুবক এর আগে তিন হিন্দু তরুণীকে বিয়ে করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের ক্ষেত্রে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, অভিযোগ অনুযায়ী, আগের এক স্ত্রী ধর্ম পরিবর্তন করতে রাজি না হওয়ায় সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। এরপর সম্প্রতি ওই যুবক আরও একটি বিয়ে করেছেন। আর সেই চতুর্থ বিয়েকেই কেন্দ্র করে নতুন করে সামনে এসেছে ধর্মান্তরের অভিযোগ।

তবে এই ঘটনার অদ্ভুতভাবে ঘুরে গিয়েছে বর্তমান স্ত্রীর বক্তব্যে। তিনি নিজেই এই অভিযোগের বিরোধিতা করেছেন। তাঁর দাবি, তিনি ওই যুবককে নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করেছেন। তাঁকে কেউ জোর করেনি। এমনকি ধর্মান্তরের বিষয়েও তিনি জানিয়েছেন, তাঁর সিদ্ধান্ত তিনি নিজেই নিয়েছেন। কিন্তু বর্তমান স্ত্রীর এই বক্তব্যের পরেও থামেনি বিতর্ক।এলাকার বেশ কয়েকজন মানুষ ওই যুবকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। স্থানীয় এক যুবকের দাবি, তিনি ওই ব্যক্তিকে ছোটবেলা থেকেই চেনেন। তাঁর অভিযোগ, ওই যুবক বরাবরই হিন্দু-মুসলিম বিভাজনের মানসিকতায় বিশ্বাসী।

চতুর্থ বিয়েকে কেন্দ্র করে এলাকার মানুষের মধ্যে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, তার মূল কারণ একটাই, আগের বিয়েগুলির সঙ্গে ধর্ম পরিবর্তনের অভিযোগের যোগসূত্র। এক স্থানীয় বাসিন্দা দাবি করেছেন, এই সম্পর্কও নাকি দীর্ঘস্থায়ী হবে না। তাঁর বক্তব্য, আগের ঘটনাগুলির পুনরাবৃত্তি হতে পারে বলেই তিনি আশঙ্কা করছেন। অন্যদিকে, বর্তমান স্ত্রী বলছেন সম্পূর্ণ উল্টো কথা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি নিজের সিদ্ধান্তেই এই সম্পর্কে এসেছেন এবং তাঁর সিদ্ধান্তে কোনও জোরজবরদস্তি নেই। এই সমগ্র ঘটনায় ওই যুবককে তেমন কিছুই বলতে শোনা যায়নি। বেশিরভাগ সময়ই তিনি তার চতুর্থ স্ত্রীয়ের পিছনে নির্বাক অবস্থায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। এলাকার এক যুবক বলেন, এত সহজে তিনি ছেলেটিকে ছেড়ে দেবেন না। হিন্দু মেয়েদের বিয়ে করে ধর্মান্তরিত হতে বাধ্য করার মতন কুকর্ম বেশিদিন চলবে না। তিনি সমগ্র বিষয়টির ভিডিও করে সমাজ মাধ্যমে প্রকাশ করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *