“ভবানীপুর হবে আদর্শ বিধানসভা!” নিজের কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে ঐতিহাসিক ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর !

 

“ভবানীপুর হবে আদর্শ বিধানসভা!”

নিজের কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে ঐতিহাসিক ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর !

মন্তব্য করলেন অন্নপূর্ণা ভান্ডার ও সরকারের একাধিক কর্মসূচি নিয়েও!

ভবানীপুরে বাড়ি বাড়ি ‘আয়ুষ্মান ভারত’ কার্ড পৌঁছানোর উদ্যোগ মুখ্যমন্ত্রীর !

সাথে থাকছে রাখি বন্ধনে ভবানীপুরের ৫৬টি পাড়ায় বিরাট শোভাযাত্রা!

শুধু তাই নয় ভবানীপুরে দাঁড়িয়ে প্রাক্তণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া বার্তা শুভেন্দুর !

জানেন এদিন নিজের নতুন বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরের বাসিন্দাদের কোন আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

অন্নপূর্ণা ভান্ডারের উপভোক্তাদেরিই বা কি জানালেন তিনি ?

নিজের নির্বাচিত বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরকে রাজ্য তথা দেশের বুকে এক ‘আদর্শ বিধানসভা’ হিসেবে গড়ে তোলার জোরালো প্রতিশ্রুতি দিলেন স্থানীয় বিধায়ক তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার ভবানীপুরে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন যে, এই এলাকায় আর কোনোভাবেই ভাষার ভিত্তিতে বা জাতের নামে মানুষকে বিভক্ত করার রাজনীতি চলবে না। ভবানীপুরের সবুজায়ন ও অবকাঠামোর সার্বিক উন্নয়নে ইতিমধ্যেই ১ লাখ গাছ লাগানো এবং স্থানীয় স্কুলগুলি নতুন করে সাজিয়ে তোলার কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

এলাকার স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রসারে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী জানান— ভবানীপুরের প্রতিটি পরিবারকে সুনিশ্চিত স্বাস্থ্যের আওতায় আনতে পৌঁছে দেওয়া হবে ‘আয়ুষ্মান ভারত’-এর কার্ড। আর যাঁরা কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের এই কার্ডের নিয়মাবলীর আওতায় পড়বেন না, তাঁদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ‘মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিমা কার্ড’ প্রদান করা হবে। আগামী ২৮ তারিখ রাখি বন্ধন উপলক্ষে ভবানীপুরের প্রতিটি অঞ্চলে বিশেষ শোভাযাত্রা নিয়ে পৌঁছানোর প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

ভবানীপুরের অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তাদের হিসাব তুলে ধরে শুভেন্দু অধিকারী জানান— ইতিমধ্যেই এই কেন্দ্রের সাড়ে ১৪ হাজারেরও বেশি যোগ্য মহিলার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা করে পৌঁছে গিয়েছে। দ্রুতই এই সংখ্যা ১৭ হাজারে গিয়ে পৌঁছাবে। একই সাথে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে যাঁরা আবেদন করেছেন এবং এখনও নাম তালিকাভুক্ত হয়নি, তাঁদের চিন্তিত না হয়ে সরকারি পোর্টালে পুনরায় আবেদন জানানোর আর্জি জানান তিনি।

পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন— আগে অহেতুক ভাষা ও জাতির নামে রাষ্ট্রবাদীদের ভাগ করার চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু এই বাংলায় সবাই একসাথে শান্তিতে বসবাস করবে। কোনো অর্থশালী ব্যক্তির ড্রয়িংরুমে না গিয়ে ভবানীপুরের ৫৬টি পাড়ার সাধারণ ও গরিব মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সমস্যার সমাধান করাই যে তাঁর সরকারের মূল লক্ষ্য, তা আরও একবার পরিষ্কার করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *