অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা আর টানা আন্দোলনের জেরে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে নেপাল। বিশেষত তরুণ প্রজন্ম—জেন জেড-এর তীব্র আন্দোলনের মুখে দেশটির রাজনৈতিক মহল শেষমেশ অন্তর্বর্তী সরকারের পথ বেছে নিল। সেই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান পদে বেছে নেওয়া হলো প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকিকে।
নেপালের ইতিহাসে এই সিদ্ধান্ত একদিকে নতুন দিক নির্দেশ করছে, অন্যদিকে বাড়াচ্ছে কৌতূহল ও প্রত্যাশা। প্রথমবারের মতো কোনো নারী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান পদে আসীন হওয়ায় বিষয়টি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
রাজনৈতিক মহলের মতে, চলমান অস্থিরতার মধ্যেও সুশীলা কারকির মতো অভিজ্ঞ ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিত্বের হাতে দায়িত্ব অর্পণ দেশকে স্থিতিশীলতার দিকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করতে পারে। তবে আন্দোলনরত তরুণ সমাজ কতটা এই সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মহলেও এই পদক্ষেপকে ঘিরে নজরদারি চলছে। দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নেপালের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ। তাই অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যকলাপ সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে প্রতিবেশী দেশগুলির সম্পর্কের ওপরও।
সব মিলিয়ে, অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির মধ্যেও অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে সুশীলা কারকির অভিষেক নেপালের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।