Bhagya Lakshmi Yojana

কন্যা সন্তান জন্মালেই ২ লক্ষ টাকা দেবে মোদী সরকার!

বর্তমানে কন্যা সন্তানের ওপর প্রতিনিয়ত নানা রকম হানাহানির ঘটনা চোখে পড়ছে। আর এমতাবস্থায় কন্যা সন্তানদের ভবিষ্যত সুরক্ষিত করতে এক দুর্দান্ত পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন! যদিও মহিলাদের অগ্রগতির জন্য রাজ্য থেকে কেন্দ্রীয় সরকার সকলেই নানা প্রকল্পের সূচনা করেছে। আর এবার কন্যাশ্রী, লক্ষ্মীর ভান্ডারকে জোর টেক্কা দিল রাজ্য সরকারের নতুন প্রকল্প। কিন্তু এই নতুন প্রকল্প কাদের জন্য প্রযোজ্য? কিভাবে আবেদন করা যাবে এতে? এই ভিডিওতে সে কথাই জানাবো আপনাদের……

জানা গিয়েছে, দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা পরিবারগুলিতে কন্যা সন্তান জন্ম নিলে পিতা-মাতাকে আর্থিকভাবে সহায়তা করবে উত্তরপ্রদেশ করবে। এমনকি, ওই কন্যা সন্তানের পড়াশোনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। মূলত কন্যা সন্তানদের উন্নতির লক্ষ্যেই সে রাজ্যের সরকার ভাগ্যলক্ষী যোজনা চালু করেতে চলেছে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই প্রকল্পের ফলে কন্যাভ্রূণ হত্যা রোধ করা বেশ কিছুটা সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো, যদি কোনও মেয়ে দরিদ্র-সীমার নীচের পরিবারে জন্মগ্রহণ করে, তাহলে এই প্রকল্পের অধীনে সরকার ৫০,০০০ টাকার বন্ড প্রদান করবে। যেটি ওই মেয়েটির ২১ বছর বয়স হলে পরিপক্ক হবে এবং সেই সময় সুবিধাভোগী মেয়ের অ্যাকাউন্টে ২ লক্ষ টাকা ট্রান্সফার করা হবে।

এছাড়া, এই যোজনার নথিভুক্ত হলে কন্যা সন্তানের মাকে ৫১ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এমনকি, মেয়েটি যখন বিভিন্ন শ্রেণীতে ভর্তি হবে তখনও আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হবে। যেমন- ষষ্ঠ শ্রেণীতে ৩ হাজার টাকা, অষ্টম শ্রেণীতে ৫ হাজার টাকা, দশম শ্রেণীতে ৭ হাজার টাকা, আবার দ্বাদশ শ্রেণীতে ৮ হাজার টাকার আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। তবে, একই পরিবারের কেবল ২ জন মেয়েকে এই প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হবে। আর সেই পরিবারের রোজগার মাসে ২০ হাজার টাকার কম হতে হবে। এই স্কিমের সুবিধা পেতে আবেদনকারীকে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা হতেই হবে এবং কন্যা সন্তান জন্মের ৬ মাসের মধ্যে এই যোজনার সুবিধা পেতে আবেদন করতে হবে।

এবার বলি, আবেদন কিভাবে করবেন আর আবেদন করতে কি কি নথি লাগবে! এই স্কিমের সুবিধা পেতে, প্রথমে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট

https://mahilakalyan.up.nic.in/

পেজটি খুলতে হবে। এরপর স্কিম ফর্মটি ডাউনলোড করে, সেটি প্রিন্ট করতে হবে। তারপর ফর্মে প্রয়োজনীয় সকল তথ্য পূরণ করে মহিলা ও শিশু উন্নয়ন অফিস বা অঙ্গনওয়াড়িতে জমা দিতে হবে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট হিসেবে সদ্যোজাত কন্যার বাবা-মায়ের আধার কার্ড, বসবাসের শংসাপত্র, আয়ের শংসাপত্র, জাতিগত শংসাপত্র, চাকরির শংসাপত্র, কন্যার বার্থ সার্টিফিকেট, আধার কার্ড ইত্যাদি দিতে হবে। তবে, এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে মানুষ কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে কতটুকু সদয় বা সচেতন হয়, সেটাই এখন দেখার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *