সেনাবাহিনীর সম্মেলনে যোগ দিতে কলকাতায় হাজির হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোমবার ফোর্ট উইলিয়ামে তিনদিনব্যাপী সেনা সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সোমবার সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে রাজভবন থেকে বেরিয়ে তিনি ফোর্ট উইলিয়ামে যান এবং ৫ মিনিট পরেই তিনি পৌঁছে যান বিজয় দুর্গে। সেখানে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে টানা দুপুর ১টা পর্যন্ত তিনি অংশ নেন সম্মেলনে। এরপর দুপুর ২ টো নাগাদ বৈঠক শেষে কলকাতা থেকে আকাশপথে বিহারের উদ্দেশে রওনা দেন নমো।
সূত্রের খবর, প্রতিরক্ষা পরিকাঠামো, সীমান্ত পরিস্থিতি এবং যৌথ বাহিনীর ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়েছে এই সম্মেলনে। যদিও একদিন আগেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং কলকাতায় এসে ফোর্ট উইলিয়ামে পৌঁছে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে, মোদীকে স্বাগত জানাতে কেন্দ্রীয় শিক্ষা এবং উত্তর-পূর্ব উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার উপস্থিত ছিলেন। দলীয় কোনো কর্মসূচি না থাকা সত্বেও বিজেপি সমর্থকদেরও ভিড় হয়েছিল সেদিন।
উল্লেখ্য, এদিনের বিজয় দুর্গের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং, সেনা সর্বাধিনায়ক জেনারেল অনিল চৌহান-সহ বাহিনীর তিন প্রধান-সহ শীর্ষকর্তারা। বৈঠকে মূলত সীমান্ত রক্ষার বিষয় নিয়েই আলোচনা চলেছে বলে জানা গিয়েছে। কারণ একদিকে অশান্ত বাংলাদেশ, আর অন্যদিকে নেপালের Gen Z আন্দোলনে উত্তাল দেশ। যদিও সে দেশে সদ্য অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হয়েছে। তাছাড়া, চিকেন নেকের ভয় তো রয়েই-ছে। সব মিলিয়ে এক জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। আর সে সব দিক খতিয়ে দেখেই এবার বড়সড় ইঙ্গিতবাহী বার্তা দিলেন নরেন্দ্র মোদী।