Foreign 'Deep State' steps in to 'hijack' the protest at Jantar Mantar!

এবার কলকাতার রাজপথে সিজেপির আন্দোলন! কলকাতার রাজপথে কি নামতে চলেছে নতুন এক প্রতিবাদ

নিট প্রশ্নফাঁস, শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি, বা সংক্ষেপে CJP। রাজধানী দিল্লির পর এবার কলকাতাতেও মিছিল করতে চেয়ে কলকাতা পুলিশের কাছে অনুমতির আবেদন জানিয়েছে সংগঠনটি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা। নিজেকে CJP-র সদস্য পরিচয় দিয়ে দেদীপ্য গঙ্গোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি কলকাতা পুলিশকে চিঠি পাঠিয়েছেন। তাঁর দাবি, আগেই ই-মেলের মাধ্যমে অনুমতি চাওয়া হয়েছিল, কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও উত্তর মেলেনি। তাই নতুন করে শুক্রবারের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে।

সংগঠনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, কলেজ স্ট্রিট থেকে রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ মিছিল হবে। আয়োজকদের দাবি, প্রায় দেড় হাজার মানুষের জমায়েত হতে পারে। তবে পুলিশ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমতি দিয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। এই আবেদনের পরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। মমতা-পন্থী তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ছাত্রদের স্বার্থের সঙ্গে এই আন্দোলন জড়িত। তাই কলকাতা পুলিশের উচিত শান্তিপূর্ণ মিছিলের অনুমতি দেওয়া। তাঁর কথায়, গণতন্ত্রে প্রতিবাদ করা সাধারণ মানুষের সাংবিধানিক অধিকার, সেই অধিকার কোনও সরকার কেড়ে নিতে পারে না।

অন্যদিকে, বিজেপি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে—আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কোনও আপস হবে না।বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় বলেন, নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই নজিরবিহীন কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এরপরও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা হচ্ছে।
তাপস রায়ের আরও দাবি, কিছু মহল পরিকল্পিতভাবে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। এমনকি বিদেশ থেকে অর্থসাহায্যের অভিযোগও তোলেন তিনি। যদিও এই দাবির পক্ষে তিনি কোনও প্রমাণ প্রকাশ করেননি।

তাঁর স্পষ্ট বার্তা, রাজ্যে কোনওরকম অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। পুলিশ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে এবং আইন ভাঙার চেষ্টা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দিল্লিতে চলা আন্দোলনে সোনম ওয়াংচুকের সমর্থনের খবর সামনে এসেছে। তাঁর অনশনকে কেন্দ্র করেও দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সমাজকর্মী এবং কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তিও এই আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *