বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর জেলা পূর্ব মেদিনীপুরের সমবায় সমিতিগুলিতে একের পর এক জয় ছিনিয়ে নিচ্ছে গেরুয়া শিবির। বলা ভালো, ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগেই যেন এক প্রকার পায়ের তলার মাটি শক্ত করছে বিজেপি। দিন কয়েক আগেই এগরা সমবায় সমিতিতে জয়ী হয়েছিল বিজেপি। আর এবার সেই একই ছবি ভেসে উঠলো পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুরের পূর্ব রাধাপুর সমবায় সমিতিতে। চলতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার সমবায় ভোটে আবারও নিরঙ্কুশ জয় পেল পদ্ম শিবির। উল্লেখ্য, পূর্ব রাধাপুর সমবায় সমিতিতে মোট আসন সংখ্যা ৯টি। আর সে সবগুলোতেই ফুটেছে পদ্ম ফুল! না, বিন্দুমাত্র নিজের জায়গা করতে পারেনি তৃণমূল। এদিন সকাল থেকেই ভোটগ্রহণ পর্ব চলেছে এবং সন্ধ্যায় ফল বেরোতেই দেখা যায় বিজেপি বড়সড় জয় পেয়েছে।
সমবায় সমিতিগুলিতে পর পর এমন জয়ে বেজায় খুশি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভা ভোটের আগে এমন জয়ী হওয়া কিছুটা হলেও বুকে জন এনেছে তাদের। অনেকে আবার এটাকেই ২৬-এর সূচনা বলে দাগিয়ে দিয়েছেন। তবে, এবার জয়ী হওয়ার প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন স্বয়ং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, “রাষ্ট্রবাদী আজ চোরেদের অর্থাত্ তৃণমূল কংগ্রেস, যারা চোর হিসেবে স্বীকৃত, তাদের পরাজিত করেছে। আমরা গত কয়েক মাসে ৫২টি সমবায় সমিতিতে চোরদের হারালাম। এই সমবায়গুলোর সবগুলিতেই এগারোর আগে সিপিএম ছিল, পঁচিশের আগে তৃণমূল ছিল।”
নন্দীগ্রামের ভূমিপুত্র এও বলেন যে, এই জয়গুলি আদতে গুরুত্বপূর্ণ সিগন্যাল। যা পরিষ্কারভাবে জানান দিচ্ছে, সাধারণ মানুষ কী চাইছে। পাশাপাশি বিরোধী দলনেতা রাধাপুরের সমস্ত মানুষকে ৫২তম জয়ের অভিনন্দনও জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই বিরুলয়া ১২ আসনের সমবায় সমিতির ভোটে বড় জয় পেয়েছে গেরুয়া শিবির। সেখানেও তৃণমূল কংগ্রেস খাতা খুলতে পারেনি। ফলে বিধানসভা ভোটের আগেই এহেন একের পর এক সমবায় জয় যেন সরকার বদলের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেও দাবি উঠেছে রাজনৈতিক মহলে।
