The bulldozer of 'Nari Shakti' (Women's Power) is set to roll across the heartland of Bengal! A resounding roar from Sandeshkhali by BJP candidate Rekha Patra!

বাংলার বুকে এবার চলবে নারী শক্তির বুলডোজার! সন্দেশখালী থেকে প্রবল হুঙ্কার বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের!

অন্যায়ের বিরুদ্ধে যখন ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায়, তখন জন্ম নেয় এক একজন ‘রেখা পাত্র’। সন্দেশখালির সেই অভিশপ্ত রাতগুলো যারা ভোলেননি, যারা দেখেছেন কীভাবে মা-বোনেদের সম্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে— আজ তাদেরই প্রতিনিধি গর্জে উঠেছেন। হিঙ্গলগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের মুখে এখন ‘বুলডোজার’-এর হুঙ্কার। বিরোধীরা একে বিতর্ক বলছেন, কিন্তু বাংলার লাঞ্ছিত মা-বোনেরা একে বলছেন ‘মুক্তির মন্ত্র’। কেন রেখা পাত্র বুলডোজার চালানোর কথা বললেন? কেন এই তৃণমূল সরকারকে উপড়ে ফেলার ডাক দিলেন তিনি? আজ আমরা দেখাব নারী শক্তির সেই রুদ্ররূপ, যা দেখে আজ রাতের ঘুম উড়েছে সন্দেশখালি থেকে হিঙ্গলগঞ্জের দুষ্কৃতী রাজাদের।

হিঙ্গলগঞ্জের যোগেশগঞ্জে প্রচার করতে গিয়ে রেখা পাত্র যা বলেছেন, তা আসলে প্রত্যেকটি আর্ত মানুষের মনের কথা। তিনি বলেছেন, “আমরা বুলডোজার চালিয়ে রক্তাক্ত করব, কিন্তু সেই রক্ত বাইরে বেরোবে না।” এর অর্থ কী? রেখা দিদি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এই বুলডোজার মানে হলো উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের সেই ন্যায়বিচারের প্রতীক। তবে বাংলার মাটিতে এই বুলডোজার চালাবে মা-বোনেদের ‘নারীবাহিনী’। হাতে ঝাঁটা আর লাঠি নিয়ে যখন হাজার হাজার লাঞ্ছিত নারী রাস্তায় নামবেন, তখন কোনো শেখ শাহজাহান বা শিবু হাজরা পালানোর পথ পাবে না। রেখা পাত্রের এই বার্তা কোনো হিংসা নয়, বরং বছরের পর বছর ধরে চলা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পাচার আর নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে এক চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি। বিজেপি যা বলে তা করে দেখায়, আর রেখা পাত্র সেই সংকল্পেরই মূর্ত প্রতীক।

মনে করে দেখুন সন্দেশখালির সেই দিনগুলো। যখন পুলিশ আর প্রশাসন ছিল নীরব দর্শক, তখন এই রেখা পাত্রই প্রথম রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। সাধারণ ঘরের এক নারী কীভাবে গোটা সিস্টেমকে কাঁপিয়ে দিতে পারে, তা রেখা দিদি প্রমাণ করেছেন। আজ যখন বিজেপি তাঁকে প্রার্থী করেছে, তখন তৃণমূলের ভয় পাওয়াটাই স্বাভাবিক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে রেখা পাত্রকে ‘শক্তি স্বরূপা’ বলে সম্বোধন করেছেন। বিজেপি মানেই নারী শক্তি বন্দন, বিজেপি মানেই মা-বোনেদের সুরক্ষা। রেখা পাত্র যখন বলেন “অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ খুলে বিক্রি করে দেওয়ার সাজা আমরা বুঝিয়ে দেব”, তখন তিনি সেইসব পরিবারের যন্ত্রণার কথা বলেন যাদের প্রিয়জনকে এই দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার কেড়ে নিয়েছে। এই লড়াই কেবল একটি আসনের লড়াই নয়, এটা বাংলার মায়েদের ইজ্জত রক্ষার লড়াই।

রেখা পাত্রের এই মন্তব্যে এখন তৃণমূলের নেতাদের খুব মায়া কান্না পাচ্ছে। তারা বলছেন রেখা নাকি ‘অশান্তি’ ছড়াচ্ছেন। আচ্ছা ভাবুন তো, যখন সন্দেশখালিতে দিনের পর দিন নারীদের ওপর অত্যাচার চলত, তখন কোথায় ছিল এই নীতি কথা? যখন আপনাদের নেতারা বন্দুক উঁচিয়ে এলাকা দখল করত, তখন কি এলাকা ‘শান্ত’ ছিল? আসলে তৃণমূলের ভয় অন্য জায়গায়। তারা দেখছে যে রেখা পাত্রের মতো একজন সাধারণ নারী আজ শাসকদলের চোখে চোখ রেখে কথা বলছেন। তারা দেখছে যে ঝাঁটা-লাঠি নিয়ে নারীবাহিনী তৈরি হয়ে গেছে। বিজেপি ক্ষমতায় আসা মানেই হবে এই দুষ্কৃতী রাজের অবসান। আর সেই কারণেই রেখা পাত্রের প্রতিটি শব্দ আজ তৃণমূলের কানে তীরের মতো বিঁধছে। বলা ভালো, হিঙ্গলগঞ্জ থেকে যে আগুনের ফুলকি রেখা পাত্র জ্বালিয়েছেন, তা গোটা বাংলায় এবার ছড়িয়ে পড়ার পালা। সেই সঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে এই বুলডোজারের হুঙ্কার বলে দিচ্ছে, এবার আর কোনো রিগিং বা ভোট লুট সহ্য করা হবে না। অতএব সবটা মিলিয়ে এখন দ্বিতীয় দফার ভোটের অপেক্ষা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *