To curb 'cut-money' and the 'syndicate raj'—reach the Chief Minister's office directly with just one phone call!

কাটমানি আর সিন্ডিকেটরাজ রুখতে এক ফোনেই সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে !

বিগত তৃণমূল জমানার বহুল আলোচিত কাটমানি, তোষণ, বালি-পাথরের সিন্ডিকেটরাজ এবং পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতির কালো অধ্যায় মুছে ফেলে— রাজ্যে স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত সুশাসন কায়েম করতে এবার ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিলেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্নীতির বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ বা শূন্য সহনশীলতার বার্তা দিয়ে এবার সাধারণ মানুষের জন্য সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে অভিযোগ জানানোর টোল-ফ্রি হেল্পলাইন চালু করল নব্য রাজ্য সরকার। এতদিন ধরে রাজ্যবাসী যে তোলাবাজি, প্রশাসনিক অনিয়ম ও সরকারি কাজের ক্ষেত্রে কাটমানির চাপে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন, তা সম্পূর্ণ মূল উৎপাটন করতেই এই মেগা উদ্যোগের সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

ভবানী ভবনে আয়োজিত এক বিশেষ প্রশাসনিক সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী নিজে এই নতুন চার-চারটি হেল্পলাইন নম্বরের উদ্বোধন করেন। এখন থেকে সাধারণ মানুষ দিন-রাতের যেকোনো সময়ে সরাসরি ফোন করে তাঁদের অভিযোগ জানাতে পারবেন। সরকারি কাজের কাটমানি চাওয়া রুখতে চালু হয়েছে ১৫৫৩৩৪ নম্বর, বেআইনি বালি-পাথর-সিমেন্টের সিন্ডিকেটরাজ বন্ধ করতে ১৫৫৩৩৩৫ নম্বর, রাস্তায় বেআইনি টোল আদায় রুখতে ১৫৫৩৩৩৭ নম্বর এবং বেআইনি মদ বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে চালু করা হয়েছে ১৫৫৩৩৩৯ নম্বর। সাধারণ মানুষের পরিচয় গোপন রেখেই এই হেল্পলাইনগুলোর মাধ্যমে তোলাবাজ ও সিন্ডিকেটবাজদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি অ্যাকশন নেওয়া হবে।

এর পাশাপাশি, রাজ্যের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং পুলিশি ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল ও মানবিক করতে জোড়া বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উত্তরপ্রদেশ সরকারের সুশাসিত মডেলকে অনুসরণ করে রাজ্য পুলিশে খুব শীঘ্রই ১ লক্ষ নতুন নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে, যা তরুণ প্রজন্মের জন্য এক বিশাল কর্মসংস্থানের পথ খুলে দেবে। এর সাথে সাথে মহিলা পুলিশ কর্মীদের জন্য তাঁদের বাড়ির কাছের থানাতেই পোস্টিং সুনিশ্চিত করার মতো মানবিক সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। তো বিগত জমানার ক্যাগ রিপোর্টে উঠে আসা একের পর এক জঘন্য দুর্নীতি ও সাবেক বিধায়ক-নেতাদের কীর্তিকে অতীতে ফেলে দিয়ে, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই সময়োপযোগী, বলিষ্ঠ ও বৈপ্লবিক পদক্ষেপ সত্যিই এক উন্নত, সুরক্ষিত ও সুশাসিত সোনার বাংলার নতুন ভোর রচনা করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *