₹3,000 in accounts starting Wednesday! Suvendu makes an announcement regarding the 'Annapurna Bhandar' scheme from Tarakeshwar!

বুধবার থেকেই অ্যাকাউন্টে ৩০০০ টাকা! অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে তারকেশ্বর থেকে ঘোষণা শুভেন্দুর!

বাংলার মা-বোনেদের জন্য এই মুহূর্তের সবচেয়ে বড় ব্রেকিং নিউজ! আর কোনো অপেক্ষা নয়, আগামীকাল বুধবার থেকেই মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ঢুকতে চলেছে কড়কড়ে ৩,০০০ টাকা! তারকেশ্বরের বাবা তারকনাথের মন্দিরে পুজো দিয়ে খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই ঐতিহাসিক মেগা ঘোষণা করেছেন। একদিকে যেমন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা দেওয়া শুরু হচ্ছে, ঠিক অন্যদিকে তেমনই ফাঁস হয়ে গেছে বিগত তৃণমূল জমানার ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ নিয়ে হওয়া এক ভয়ঙ্কর ও নজিরবিহীন কেলেঙ্কারি! মা-বোনেদের টাকা কীভাবে লুঠ করেছে চোরেরা? কারা পাবেন এই ৩,০০০ টাকা আর কাদের নাম একঝটকায় বাদ দিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

বাবা তারকনাথের চরণে মাথা ঠেকিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, “যা বলি, ভেবেচিন্তেই বলি। আগামীকাল বুধবার ক্যাবিনেট মিটিংয়ের পর থেকেই বিপুল সংখ্যক উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ৩,০০০ টাকা পৌঁছানো শুরু হয়ে যাবে।” তবে এই প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত কড়া নীতি নিয়েছে নতুন বিজেপি সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বুক চিতিয়ে হুঙ্কার দিয়ে বলেছেন—বাংলার মাটিতে কোনো ‘ঘুসপেটিয়া’ বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে এই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা দেওয়া হবে না। জনগণের ট্যাক্সের টাকা কেবল এদেশের ভূমিপুত্র এবং প্রকৃত যোগ্য মা-বোনেরাই পাবেন। 7ভিডিওর এই অংশটি অত্যন্ত মন দিয়ে শুনুন। কেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার আনার প্রয়োজন পড়ল, তার এক বিস্ফোরক প্রমাণ আজ দেশবাসীর সামনে এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা বা এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া শুরু হতেই দেখা যাচ্ছে, মা-বোনেদের জন্য তৈরি প্রকল্পে অবাধে লুঠ চালিয়েছে তৃণমূলের সিন্ডিকেট।

খোদ মুখ্যমন্ত্রীর দাবি—”এই রাকিবুল, মুস্তাফিজুর, তারিকুলরা মিলে বাংলায় অন্তত ৩০ লক্ষ ভুয়ো লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা তুলেছে! আশ্চর্যের বিষয় হলো, মহিলাদের প্রকল্পে পুরুষরা নাম ঢুকিয়ে প্রতি মাসে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুঠ করেছে।” শুভেন্দুজী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই লুঠেরাদের একেবারে গ্রাসরুট বা তৃণমূল স্তর থেকে ক্র্যাক ডাউন করা হবে এবং আইনের মাধ্যমে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। তবে এই ফর্ম পূরণ নিয়ে রাজ্যের কোনো সৎ ও যোগ্য মহিলার চিন্তার কোনো কারণ নেই। মুখ্যমন্ত্রী বাংলার মা-বোনেদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, “যত দ্রুত ফর্ম ফিলআপ হবে, তত দ্রুতই এই টাকা অ্যাকাউন্টে চলে আসবে। আর যারা এখনো অন্নপূর্ণার ফর্ম পূরণ করতে পারেননি, তাঁরাও বিন্দুমাত্র বঞ্চিত হবেন না। নতুন নাম নথিভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের অ্যাকাউন্টে আগের মতোই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকতে থাকবে।” সবচেয়ে বড় সুখবর হলো, আগামীকাল বুধবার থেকেই অফলাইনের পাশাপাশি অনলাইনের মাধ্যমেও ঘরে বসে অত্যন্ত সহজে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম পূরণ করা যাবে।

চোর-তোলাবাজ আর ঘুসপেটিয়াদের জমানা শেষ করে বাংলায় এখন আসল মা-মাটি-মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পিসি-ভাইপোর ১,৫০০ টাকার খয়রাতিকে উপড়ে ফেলে মোদী-শুভেন্দুর ডবল ইঞ্জিন সরকার আজ প্রতিটা যোগ্য নারীর হাতে ৩,০০০ টাকার সসম্মান অধিকার তুলে দিচ্ছে। রাকিবুল-মুস্তাফিজুরদের মতো ৩০ লক্ষ ভুয়ো চোরদের তাড়িয়ে প্রকৃত মা-বোনেদের ৩,০০০ টাকা দেওয়ার এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আপনার কী মতামত? কমেন্ট বক্সে আপনার বক্তব্য অবশ্যই জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *