Suvendu Adhikari issues a major statement regarding hawkers following their eviction.

আবাসের বাড়ি পেতে আর নেতাদের পায়ে তেল দিতে হবে না ! ডাবল ইঞ্জিন সরকারের উদ্যোগে এবার খতম নেতাদের নেতাগিরি !

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর পাওয়া নিয়ে বাংলায় এবার এক ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী বিপ্লব! গরিব মানুষের হকের বাড়ি পেতে আর কোনো কাটমানি খোর বা রাজনৈতিক নেতার পায়ে ধরতে হবে না। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি মেনে এবার উপভোক্তাদের সরাসরি ক্ষমতা দিল শুভেন্দু অধিকারীর নতুন বিজেপি সরকার। এবার থেকে আপনি নিজেই নিজের বাড়ির সমীক্ষক বা সার্ভেয়ার হতে পারবেন। বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে এই আধুনিক সুবিধা না থাকায় গরিব মানুষকে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হতো। কিন্তু সুশাসনের জমানায় এবার চালু হলো আধার-ভিত্তিক ফেস অথেন্টিকেশনসহ সেলফ সার্ভে বা স্ব-মূল্যায়নের ব্যবস্থা। কীভাবে মোবাইল অ্যাপ দিয়ে ঘরে বসেই করবেন এই আবেদন? কীভাবেই বা মিলবে টাকা? জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।

প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে অযোগ্যদের পাইয়ে দেওয়া আর যোগ্যদের বঞ্চিত করার দিন এবার শেষ। বর্তমানে রাজ্যে প্রায় ৬,০০০ সরকারি সমীক্ষক এআই (AI) প্রযুক্তিসম্পন্ন ‘আবাস প্লাস ২০২৪’ (Awas+ 2024) মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে আধার-ভিত্তিক ফেস রিকগনিশন পদ্ধতিতে নিখুঁত সমীক্ষা চালাচ্ছেন। তবে প্রত্যন্ত বা দুর্গম অঞ্চলে যদি কোনো কারণে সরকারি সমীক্ষক দল পৌঁছাতে না পারে, তাহলেও চিন্তার কোনো কারণ নেই। যোগ্য ব্যক্তিরা সরাসরি গুগল প্লে স্টোর থেকে এই ‘আবাস প্লাস’ অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিজেদের পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় তথ্য আপলোড করে নিজেই নিজের সমীক্ষার কাজ সম্পূর্ণ করতে পারবেন। গত ৪ জুন থেকে শুরু হওয়া এই মেগা ড্রাইভ চলবে আগামী ৪ আগস্ট পর্যন্ত। অর্থাৎ, কোনো রাজনৈতিক বাধা বা ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে এবার আর একটা যোগ্য পরিবারও মোদীজীর পাকা বাড়ি থেকে বঞ্চিত হবে না।
এবার জেনে নেওয়া যাক, এই প্রকল্পের যোগ্যতার আসল মাপকাঠি এবং কত টাকা কীভাবে পাওয়া যাবে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর পাবেন মূলত তাঁরাই, যাঁরা সম্পূর্ণ গৃহহীন কিংবা কাঁচা বাড়িতে বসবাস করেন।

দেওয়াল: যা মাটি, বাঁশ, খড় বা কাঁচা ইট দিয়ে তৈরি।
ছাদ: টালি, খড়, প্লাস্টিক বা বাঁশ দিয়ে তৈরি চাল।
এই যোগ্য পরিবারগুলিকে বাড়ি তৈরির জন্য মোট ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দেওয়া হবে, যা সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩টি কিস্তিতে পৌঁছে যাবে। প্রথম ও দ্বিতীয় কিস্তিতে দেওয়া হবে ৬০,০০০ টাকা করে এবং বাড়ি নির্মাণ সম্পূর্ণ হওয়ার পর শেষ কিস্তিতে মিলবে বাকি ১০,০০০ টাকা।
তবে এই স্বচ্ছ ব্যবস্থায় ফাঁকি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। প্রতিবার কিস্তির টাকা পাওয়ার পর বাড়ি কতটা তৈরি হলো, তার লাইভ ছবি তুলে অ্যাপের মাধ্যমে প্রশাসনকে আপডেট দিতে হবে। এই ছবিগুলি সরাসরি কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের পোর্টালে আপলোড হবে। আর যাঁরা নিজেরা ‘সেলফ সার্ভে’ বা স্ব-মূল্যায়ন করে আবেদন জমা দেবেন, তাঁদের তথ্যগুলি প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা একেবারে শেষ স্তরে গিয়ে নিখুঁতভাবে যাচাই করে নেবেন। কোনো রকম জালিয়াতি বা বেনিয়ম ধরা পড়লে আবেদন সরাসরি বাতিল হবে, অর্থাৎ কেবল প্রকৃত অভাবী মানুষেরাই পাবেন এই সরকারি অনুদান।
দলবাজি আর তোষণের রাজনীতি বন্ধ করে প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিটি প্রান্তিক মানুষের দুয়ারে কেন্দ্রীয় সুবিধা পৌঁছে দিচ্ছে মোদী-শুভেন্দুর ডবল ইঞ্জিন সরকার। অন্ত্যোদয় থেকে প্রগতি—নতুন বাংলার এই ডিজিটাল রূপান্তর সত্যিই প্রশংসনীয়।
নেতাদের তোষামোদ না করে গরিব মানুষের নিজের মোবাইল থেকে সরাসরি আবাস যোজনার ‘সেলফ সার্ভে’ করার এই দুর্দান্ত অধিকার নিয়ে আপনার কী মতামত? কমেন্ট বক্সে জানান আপনার মতামত ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *