Major initiative by renowned Kolkata hospitals: Special discounts on medical treatment at private hospitals for holders of the ‘Matua Bandhu’ health card!

কলকাতার নামী হাসপাতালে বড় উদ্যোগ ‘মতুয়া বন্ধু’ হেলথ কার্ড থাকলেই বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসায় বিশেষ ছাড়!

মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য বড় উদ্যোগ নিল অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘ। উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা সাধারণ মানুষের কাছে আরও সহজলভ্য করে তুলতেই চালু করা হল ‘মতুয়া বন্ধু চিকিৎসা কার্ড’। এই উদ্যোগে অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে কলকাতার অন্যতম পরিচিত বেসরকারি হাসপাতাল বি.পি. পোদ্দার হাসপাতাল। ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গাইঘাটার বিধায়ক এবং মতুয়া মহাসংঘের সংঘাধিপতি সুব্রত ঠাকুর। তাঁর হাতেই আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হয় ‘মতুয়া বন্ধু চিকিৎসা কার্ড’।

তবে এখানে একটা বিষয় পরিষ্কার করে বলা জরুরি। অনেকেই ভাবছেন, এই কার্ড থাকলেই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা মিলবে। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি তা নয়। এই কার্ডের মাধ্যমে হাসপাতালের বিভিন্ন পরিষেবায় বিশেষ ছাড় এবং কিছু অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে। অর্থাৎ, চিকিৎসার খরচ কমবে, কিন্তু সব পরিষেবাই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে হবে—এমন ঘোষণা করা হয়নি। কার্ডধারীরা হাসপাতালের ওপিডি পরিষেবা, বিভিন্ন ল্যাবরেটরি পরীক্ষা, ওষুধ কেনা এবং আরও একাধিক চিকিৎসা পরিষেবায় বিশেষ ডিসকাউন্ট পাবেন বলে জানানো হয়েছে।

এই উদ্যোগ নিয়ে হাসপাতালের প্রতিনিধি শ্রীতপা চক্রবর্তী ঠাকুর জানান, উন্নত বেসরকারি চিকিৎসা পরিষেবাকে আরও বেশি মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষ যাতে কম খরচে মানসম্মত চিকিৎসা পান, সেই উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ। মতুয়া মহাসংঘের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে আরও বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরিষেবা এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে আগামী দিনে এই কার্ডধারীরা আরও বেশি সুবিধা পেতে পারেন।

এই কার্ড মূলত মতুয়া সম্প্রদায়ের সদস্যদের জন্য চালু করা হয়েছে। কার্ড কীভাবে সংগ্রহ করা যাবে, কোথায় আবেদন করতে হবে কিংবা যোগ্যতার বিস্তারিত নিয়মাবলি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। সেই সংক্রান্ত ঘোষণা পরবর্তী সময়ে করা হতে পারে। তাই যদি আপনি বা আপনার পরিবারের কেউ মতুয়া সম্প্রদায়ের সদস্য হন, তাহলে এই প্রকল্পের পরবর্তী ঘোষণার দিকে অবশ্যই নজর রাখুন। সব মিলিয়ে, স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও সহজলভ্য করার লক্ষ্যেই এই নতুন উদ্যোগ। বিশেষ করে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার উচ্চ খরচের কথা মাথায় রেখে এই ধরনের ছাড় অনেক পরিবারের জন্য বড় স্বস্তি হয়ে উঠতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *