Suvendu sends a stern message to curb illegal infiltration at the border; his clear directive: "No need to call anyone... do it now!"

সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া বার্তা শুভেন্দুর শুভেন্দুর স্পষ্ট নির্দেশ, “কাউকে ফোন করার দরকার নেই… ডু ইট নাউ!”

বারবার রাজনৈতিক সংঘর্ষ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা এবং হিংসার ঘটনায় খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে মুর্শিদাবাদ। ধুলিয়ান, সামশেরগঞ্জ, বেলডাঙা, রেজিনগর কিংবা শক্তিপুর একাধিক ঘটনায় রক্ত ঝরেছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের কড়া অবস্থানের বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুর্শিদাবাদে প্রশাসনিক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানিয়ে দেন, এবার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই মুর্শিদাবাদের উন্নয়নে নতুন গতি আসবে। তাঁর দাবি, জেলার প্রশাসনিক দল দক্ষ হলেও এতদিন নানা চাপের কারণে তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছিল না। এখন সেই বাধা নেই। প্রশাসনকে তিনি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন— চাপমুক্ত হয়ে কাজ করতে হবে। এর পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়েও কড়া বার্তা দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে কোনও রকম ছাড় দেওয়া হবে না। সীমান্ত এলাকায় পুলিশকে আরও সক্রিয় হতে এবং বিএসএফের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ধুলিয়ান, সামশেরগঞ্জ, বেলডাঙা, রেজিনগর বা শক্তিপুরের মতো পরিস্থিতি আবার তৈরি হলে পুলিশকে আর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতির জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “কাউকে ফোন করার দরকার নেই। ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় যা বলা আছে এবং যে প্রশিক্ষণ নিয়ে আপনি বাহিনীতে এসেছেন, সেই অনুযায়ী ডু ইট নাউ।” অর্থাৎ, আইন অনুযায়ী পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশকে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, আইন-শৃঙ্খলা ভাঙার চেষ্টা হলে দ্রুত পদক্ষেপই হবে প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।

এদিন তিনি আরও জানান, ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অব অ্যান্টি-সোশ্যাল অ্যাকটিভিটিজ বিল’ এবং ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মেনটেন্যান্স অব পাবলিক অর্ডার (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল’ সোমবার থেকেই কার্যকর হচ্ছে। সরকারের দাবি, এই দুটি আইন কার্যকর হলে সমাজবিরোধী কার্যকলাপ ও হিংসা দমনে প্রশাসন আরও শক্তিশালী আইনি ভিত্তি পাবে। তবে রাজনৈতিক মহলে এই মন্তব্য এবং নতুন আইন নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। একদিকে সরকার বলছে, কঠোর পদক্ষেপ ছাড়া হিংসা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের তরফে এই আইন এবং পুলিশের ক্ষমতা বৃদ্ধিকে ঘিরে প্রশ্ন তোলার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *