The Prime Minister's 'Drug-Free India' mission is set to launch across the country on August 2!

আগামী ২ আগস্ট সারা দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর ‘নেশা মুক্ত ভারত’ মিশন!

এক সুস্থ, সমৃদ্ধ ও মাদকমুক্ত ভারত গঠনের দিশায় এবং ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর দূরদর্শী স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে এবার ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছেন ভারতের সর্বজনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তরুণ সমাজকে মাদকের মতো ভয়াবহ সামাজিক অভিশাপের হাত থেকে মুক্ত করে তাঁদের অসীম শক্তিকে রাষ্ট্রগঠনের কাজে নিয়োজিত করতে, আগামী ২ আগস্ট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে চলেছে “নেশা মুক্ত যুবা ফর বিকশিত ভারত সংকল্প অভিযান”। কেবল একটি সরকারি প্রচারণার গণ্ডিতে আবদ্ধ না রেখে, সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এটিকে এক দেশব্যাপী সামাজিক ও বৈপ্লবিক গণ-আন্দোলনে রূপ দেওয়ার ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর এই ঐতিহাসিক আহ্বানে সারা দেশের যুবসমাজকে একসুতোয় বাঁধতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে ‘MY Bharat’ প্ল্যাটফর্ম এবং কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রক। কর্মসূচির সূচনা লগ্নেই দেশের প্রায় ১০,০০০টি সুনির্দিষ্ট স্থানে একই সাথে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে এক নজিরবিহীন ও ঐতিহাসিক শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। যেখানে ১ কোটিরও বেশি তরুণ-তরুণী একযোগে ‘নেশা মুক্ত যুবা ভলান্টিয়ার’ হিসেবে নিজেদের উৎসর্গ করার অঙ্গীকার নেবেন। ন্যাশনাল সার্ভিস স্কিম, এনজিও, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ১২৫টিরও বেশি আধ্যাত্মিক সংগঠনকে সাথে নিয়ে শুরু হতে যাওয়া এই অভিযানটি হতে চলেছে ভারতের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ও প্রভাব বিস্তারকারী যুব আন্দোলন।

এই মেগা অভিযানের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকটি হলো এর দীর্ঘমেয়াদী এবং গতিশীল রূপরেখা। এটি কোনো একদিন বা এক সপ্তাহের কর্মসূচি নয়, বরং একটানা ১০০ সপ্তাহ ধরে চলা এক ধারাবাহিক বিপ্লব। প্রতি রবিবার দেশজুড়ে আয়োজিত হবে স্পোর্টস ইভেন্ট, ম্যারাথন, মেডিটেশন, সচেতনতামূলক পথনাটক ও নানা সৃজনশীল সাংস্কৃতিক উদ্যোগ। এই সামাজিক দায়বদ্ধতাকে উৎসাহিত করতে ৫০তম, ৭৫তম এবং ১০০তম সপ্তাহে সেরা ভলান্টিয়ার ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে বিশেষ সম্মানে ভূষিত করা হবে। কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী ডঃ মনসুখ মান্ডব্য দেশের প্রতিটি নাগরিককে এই পুণ্য ও দূরদর্শী মিশনে সামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তরুণদের সুস্থ জীবনযাত্রাই যে ২০৪৭ সালের মধ্যে এক উন্নত ও আত্মনির্ভর ভারতের মূল ভিত্তি, নরেন্দ্র মোদীর এই অনন্য ও রাষ্ট্রগঠনকারী উদ্যোগ আরও একবার গোটা বিশ্বের দরবারে তা প্রমাণ করে দিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *