A slew of central schemes announced for Bengal on West Bengal Day.

পশ্চিমবঙ্গ দিবসে বাংলার জন্য একগুচ্ছ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের ঘোষণা! তারকেশ্বরের মাটি থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বড় বার্তা

শনিবার পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে হুগলির তারকেশ্বরে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মঞ্চে তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্যপাল আর এন রবি-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীকে বাবা তারকনাথের ছবি, মা দুর্গার মূর্তি, বাংলার ঐতিহ্যবাহী রসগোল্লা এবং চন্দননগরের বিখ্যাত জলভরা সন্দেশ উপহার দেওয়া হয়।

এরপর বক্তব্য রাখতে উঠে বাংলার কৃষকদের জন্য একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, আজ থেকেই পশ্চিমবঙ্গে চালু হচ্ছে পিএম ফসল বিমা যোজনা। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ধনধান্য কৃষি যোজনা এবং ডিজিটাল কৃষি মিশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
শুধু কৃষিক্ষেত্রই নয়, পরিকাঠামো এবং মৎস্য শিল্পেও বড় উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফ্রেজারগঞ্জে আধুনিক ও অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন মৎস্য বন্দরের উদ্বোধন করেন তিনি। একইসঙ্গে বীরভূমের সাঁইথিয়ায় নতুন অত্যাধুনিক মৎস্য বাজারেরও সূচনা করা হয়।

এছাড়াও হাওড়ায় রেলের ৩০০ বেডের ডিভিশনাল হাসপাতাল এবং হাওড়া থেকে পশ্চিম মেদিনীপুরের রাধামোহনপুর পর্যন্ত ওভারব্রিজ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধন করা হয় সাঁকরাইল-সাঁতরাগাছি লিঙ্ক লাইন প্রকল্প এবং হরিণঘাটায় ছাগল প্রতিপালনের জন্য আধুনিক ল্যাব ও সিমেন ব্যাঙ্কও। গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নেও বড় ঘোষণা আসে প্রধানমন্ত্রীর তরফে। পিএম গ্রামীণ সড়ক যোজনা-৩-এর আওতায় ৪৯টি নতুন রোড ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যে মোট ৩১৫ কিলোমিটার নতুন রাস্তা নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠান থেকে রাজনৈতিক বার্তাও দিতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে। রাজ্যবাসীর উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন করেন, “পরিবর্তন ভাল লাগছে তো?” এরপরই তাঁর মন্তব্য, “বাংলায় কাটমানি শেষ, কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। বাংলা এবার থামবে না, ইতিহাস গড়বে।” পশ্চিমবঙ্গ দিবসের মঞ্চ থেকে উন্নয়ন, কৃষি, পরিকাঠামো এবং রাজনৈতিক বার্তা সব মিলিয়ে বাংলার জন্য একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ঘোষণায় তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠল প্রধানমন্ত্রীর তারকেশ্বর সফর।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *