All government benefits will be stopped if the CAA is not implemented! Food Minister makes a major statement regarding citizenship for the Matuas!

সিএএ না করলে বন্ধ হবে সকল সরকারি সুবিধা ! মতুয়াদের নাগরিকত্ব নিয়ে খাদ্যমন্ত্রীর বিরাট বয়ান!

রাজ্যের মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিটি নাগরিকের জন্য এই মুহূর্তের সবচেয়ে বড় এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খবর! পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদলের পর থেকেই রেশন ব্যবস্থা থেকে শুরু করে প্রশাসনিক পরিকাঠামোয় একের পর এক বড় সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন নতুন খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া। আর এবার, মতুয়া সমাজের নাগরিক অধিকার ও সরকারি সুযোগ-সুবিধা সুনিশ্চিত করতে এক জনসভা থেকে অত্যন্ত কড়া ও স্পষ্ট বার্তা শোনালেন তিনি। মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, সাম্প্রতিক এসআইআর (SIR) বা রাজ্য পরিচয় রেজিস্টার থেকে যাদের নাম বাদ পড়েছে, তারা যেন আর এক মুহূর্তও সময় নষ্ট না করে দ্রুত সিএএ-র মাধ্যমে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন জানান। তা না হলে কিন্তু সমস্ত রকম সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার এক মস্ত বড় আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। কেন হঠাৎ এমন নির্দেশ দিলেন খাদ্যমন্ত্রী? মতুয়াদের অধিকার রক্ষায় মোদী-শুভেন্দু সরকারের মেগা প্ল্যানটাই বা কী?

বনগাঁ উত্তর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী খোদ মতুয়া সম্প্রদায়ের যোগ্য প্রতিনিধি অশোক কীর্তনীয়ার কাঁধে তুলে দিয়েছেন রাজ্যের খাদ্য দপ্তরের গুরুদায়িত্ব। আর চেয়ারে বসেই পূর্ণ উদ্যমে কাজ শুরু করে দিয়েছেন তিনি। গত শনিবার তেহট্ট থানার বেতাই নতুনপাড়া খেলার মাঠে এক বিশাল সংবর্ধনা সভায় যোগ দিয়ে মন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন মতুয়াদের হারিয়ে যাওয়া গৌরব ও ইতিহাসের কথা। তিনি অত্যন্ত আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার সময় তৎকালীন রাজনৈতিক চক্রান্তের কারণে আমাদের সমাজকে মূল স্রোত থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আজ কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ এবং রাজ্যে শুভেন্দু অধিকারীর রাষ্ট্রবাদী সরকার থাকায় মতুয়া সমাজ ফের নিজেদের আত্মমর্যাদা ও অধিকার ফিরে পাচ্ছে।

মতুয়াদের আইনি সুরক্ষা দিতে এবং বিরোধী শিবিরের তৈরি করা বিভ্রান্তি দূর করতে মন্ত্রী মহাশয় এক অত্যন্ত জরুরি পরামর্শ দিয়েছেন।
মতুয়াদের অধিকার রক্ষায় খাদ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা দিয়ে বলেন , এবারের এসআইআর-এ যে সমস্ত মতুয়া ভাই-বোনেদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের আইনি নাগরিকত্ব সুনিশ্চিত করতে দ্রুত সিএএ-র অধীনে আবেদন করা বাঞ্ছনীয়। সিএএ-র মাধ্যমে নাগরিকত্বের স্থায়ী সিলমোহর না থাকলে আগামী দিনে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হতে পারে। শুধু তাই নয় বিগত তৃণমূল সরকারের নোংরা রাজনীতির কারণে যে সমস্ত যোগ্য গরিব মানুষ প্রধানমন্ত্রীর ‘অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনা’র রেশন কার্ড পাননি, এবার নবান্নের তরফ থেকে সমস্ত তথ্য যাচাই করে সেই সমস্ত যোগ্য পরিবারকে এই বিশেষ কার্ড দেওয়া হবে।

খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া কেবল রেশন বা নাগরিকত্বেই আটকে থাকেননি, তিনি মতুয়া সমাজের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক সুন্দর ও উন্নত স্বপ্ন দেখিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান— “মতুয়া সমাজ আমাদের ঢেলে ভোট দিয়ে জয়ী করেছে। এবার আমাদের দায়িত্ব তাঁদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা। আমি চাই মতুয়া সমাজের ছেলেমেয়েরা উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সমাজের প্রথম সারিতে আসুক, তারা বড় বড় ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার হোক।” আর সেই কারণেই সমগ্র মতুয়া সমাজকে শিক্ষার মূল আলোয় নিয়ে আসতে বিশেষ জোর দিচ্ছে শুভেন্দু সরকার।

ভোটব্যাংকের তোষণ রাজনীতিকে উপড়ে ফেলে, মতুয়াদের প্রকৃত নাগরিক অধিকার এবং স্থায়ী উন্নয়ন সুনিশ্চিত করতে বিজেপি সরকারের এই দৃঢ় পদক্ষেপ সত্যিই এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা করছে।
এসআইআর-এ নাম বাদ পড়া উপভোক্তাদের জন্য সিএএ-তে আবেদন করার এই বার্তা এবং অন্ত্যোদয় কার্ডের দুর্নীতি দূর করতে খাদ্যমন্ত্রীর এই কড়া বার্তাকে আপনি কীভাবে দেখছেন? কমেন্ট বক্সে অবশ্যই জানাবেন আপনার মতামত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *