Bengal rocked once again by the RG Kar scandal! Files reopened immediately upon the formation of the BJP government; top names—including IPS officers—in the crosshairs. Is Mamata under pressure?

আরজিকর কাণ্ডে ফের তোলপাড় বাংলা! বিজেপি সরকার গড়তেই খুলল ফাইল, নিশানায় IPS-সহ বড় বড় নাম — চাপে মমতা?

বিচার পাওয়া কি এতই কঠিন? নাকি বিচারকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তৈরি হয়েছিল কোনো গভীর ষড়যন্ত্র? আরজি কর-কাণ্ডে বাংলার লজ্জিত হওয়ার সেই দিনগুলোর হিসাব এবার কড়ায়-গন্ডায় বুঝে নিতে তৈরি শুভেন্দু সরকার। শুক্রবার নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিটি শব্দ ছিল যেন একেকটি তপ্ত বুলেট। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর শুরু হলো সেই শুদ্ধিকরণ, যার দাবি তুলেছিল সারা বাংলা। তৃণমূল জমানার সেই নারকীয় ঘটনার কথা ভাবলে আজও গায়ের লোম খাড়া হয়ে যায়। কিন্তু তার থেকেও ভয়ংকর ছিল তৎকালীন প্রশাসনের ভূমিকা। নির্যাতিতার মাকে টাকা দিয়ে মুখ বন্ধ করার চেষ্টা! ভাবা যায়? খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আজ প্রশ্ন তুলেছেন— কার নির্দেশে সেই পুলিশ অফিসাররা টাকা নিয়ে নির্যাতিতার দরজায় পৌঁছেছিলেন? কোনো মন্ত্রী, নাকি স্বয়ং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ ছিল এর নেপথ্যে? প্রতিটি ফাইল এবার নতুন করে খোলা হবে।

ষড়যন্ত্রের জাল ছিঁড়তে বড় পদক্ষেপ নিল নতুন সরকার। প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কলকাতা পুলিশের দাপুটে আইপিএস বিনীত গোয়েল, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং অভিষেক গুপ্তকে সরাসরি সাসপেন্ড করার ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। যারা এতদিন উর্দির আড়ালে থেকে তৃণমূলের তল্পিবাহক হয়ে কাজ করেছে, যারা তথ্যপ্রমাণ লোপাট আর তদন্ত প্রক্রিয়ায় গাফিলতির প্রধান কারিগর ছিল—তাদের জন্য নবান্নের দরজা চিরতরে বন্ধ। মনে পড়ে সেই ডিসি-র কথা? যাঁর বডি ল্যাঙ্গুয়েজ আর সাংবাদিক সম্মেলনে উদ্ধত আচরণ দেখে লজ্জিত হয়েছিল গোটা রাজ্য। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, সেই পুলিশ আধিকারিককে কোনো আনুষ্ঠানিক দায়িত্বই দেওয়া হয়নি, তবুও তিনি কার মদতে তদন্তের মোড় ঘোরানোর চেষ্টা করেছিলেন? কার আশীর্বাদে তিনি আইনকে নিজের পকেটে ভরে নিয়েছিলেন? এবার সেই রাঘববোয়ালদের টেনে বের করার পালা।

তৃণমূল জমানায় আরজি কর-কাণ্ডকে নিয়ে যে নোংরা খেলা চলেছিল, তার অবসান ঘটাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এখন বদ্ধপরিকর। সিবিআই তদন্তের দীর্ঘসূত্রিতার অপেক্ষায় না থেকে, রাজ্যের নিজস্ব তদন্ত প্রক্রিয়ায় পারিপার্শ্বিক সব দিক খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। শুভেন্দুর স্পষ্ট বার্তা— “পাপীদের রক্ষা করতে যারা ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল, তাদের জায়গা এবার শ্রীঘরে।” বাংলার মেয়ের অপমানের বিচার এবার হবেই। যারা টাকা দিয়ে রক্ত মুছতে চেয়েছিল, যারা শাসকের ভয়ে সত্যকে ধামাচাপা দিয়েছিল, তাদের পতন শুরু হয়ে গেছে। শুভেন্দু অধিকারীর এই পদক্ষেপ কি তবে আরজি কর-কাণ্ডের মূল পাণ্ডাদের মুখোশ খুলে দেবে? পিসি-ভাইপোর সাজানো সেই মিথ্যা কি এবার ধোপে টিকবে?
আপনার কী মনে হয়? তিন আইপিএস অফিসারকে সাসপেন্ড করা কি কেবল শুরু? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা কি এবার জনসমক্ষে আসবে? কমেন্টে আপনার মতামত জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *