বছর ফুরোলেই ভোটের দামামা বেজে যাবে। তাই সব দল-ই কোমর লড়াইয়ে নামার জন্য কোমর বাঁধছে। এদিকে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে, ২০২৬-এর ভোটের পর কি বদলাবে সরকার? রাজ্যের দায়িত্ব কি অন্য কারোর হাতে যেতে পারে? আর এই সব আলোচনার মাঝেই বিজেপি কত আসন পেতে চলেছে আসন্ন এই নির্বাচনে সেই এক কাল্পনিক ধারণা উঠে এল প্রকাশ্যে। যদিও গেরুয়া শিবিরের তরফ থেকে ইঙ্গিত মিলছে আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তারা এবার আগের চেয়ে অনেক বেশি সংখ্যক সংখ্যালঘু প্রার্থী দিতে চলেছে। ফলে এক প্রকার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই যে এবার দেখতে পাবে দেশের মানুষ, তা বেশ ভালোই বোঝা যাচ্ছে।
এদিকে বিজেপি-র সংখ্যালঘু প্রার্থীদের ওপর আকর্ষণ বাড়ার বিষয়টাকে খুব একটা স্বাভাবিক নজরে দেখছে না বিরোধী দলগুলি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সংখ্যালঘু প্রার্থীদের হাত ধরেই তারা হিন্দু ভোটের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মের মানুষদের কাছেও সহজেই পৌঁছাতে পারবে। তবে, তাদের এই পরিকল্পনায় কতটা লাভবান হবে গেরুয়া শিবির সে তো সময়ে দেখা যাবে। তবে, আপাতত বলি সমীক্ষা কি বলছে! মুড অফ দ্য নেশনের সমীক্ষা অনুযায়ী, ভারতে যদি এখন লোকসভা নির্বাচন হয় তাহলে তৃণমূলের আওতায় ৩১ টি আসন আসতে পারে এবং বিজেপি পেতে পারে ১১ টি আসন আর কংগ্রেস ০।
আর এই সমীক্ষাকে কেন্দ্র করেই আরও একটি কাল্পনিক সমীক্ষা করা হয়েছে। সেখানে দেখা গিয়েছে, বিধানসভা কেন্দ্রের ২৯৪টি আসনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ১৫৪ টি এবং বিজেপি ১৪০টি আসন ছিনিয়ে নিতে পারে। তবে, কংগ্রেস খাতা খুলতে পারবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। আর এই ফলাফল দেখে অনেকেই মনে করছেন, ২০২১-এ বিজেপি যেই রেজাল্ট বাংলাতে করেছিল, সেটাই হয়তো এবারও রিপিট হতে চলেছে। আর সত্যিই যদি তা হয়, তাহলে এবারেও রাজ্যে সরকার গঠন করতে অপারগ হবে কেন্দ্রের শাসক দল। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ২৯ টি আসন পেয়েছিল। অন্যদিকে, বিজেপি পেয়েছিল ১২ টি আসন এবং কংগ্রেস পেয়েছিল মাত্র ১ টি আসন। তাই এবারের ফল কিছুটাও পরিবর্তন হয় কিনা সেদিকেই তাকিয়ে গেরুয়া সমর্থকরা।
