Central forces stand ready with 75,000 batons to curb hooliganism in the name of voting.

ভোটের নামে গুন্ডামি রুখতে ৭৫ হাজার লাঠি নিয়ে তৈরি কেন্দ্রীয় বাহিনী! কাদের বুকে কাঁপন ধরলো বাহিনী দেখে?

চৈত্রের দাবদাহে ফুটছে বাংলা। আর রাজনৈতিক মহল ফুটছে ভোটের গরমে। ফলে প্রতিনিয়ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন নতুন ব্যবস্থা নিচ্ছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। যার জেরে বেশ কয়েক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় হাজির হয়ে গিয়েছে। আর এবার আবারও কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে নয়া সিদ্ধান্ত জানালো ভোট কমিশন। যদিও কেন্দ্রীয় বাহিনী আসা মানেই রাজনৈতিক তর্জা-র সূত্রপাত। বিরোধী দলগুলি অবশ্য এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। কিন্তু শাসক শিবিরের একাংশ একে ‘অপ্রয়োজনীয়’ বলেই মনে করছে। এমনকি, খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি প্রশ্ন তুলেছিলেন, এত বিপুল সংখ্যক বাহিনীর থাকার ব্যবস্থা ও খরচ নিয়ে। না, তাতে একটুও টলেনি কমিশন! বরং, বিগত নির্বাচনগুলির হিংসার স্মৃতি যাতে ফিরে না আসে, এখন সেটাই তাদের বড় চ্যালেঞ্জ।

আর এবার সূত্র মারফত শোনা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য প্রায় ৭৫ হাজার লাঠি ইতিমধ্যেই প্রস্তুত রাখতে শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। জানা গেছে, ভোটের সময় আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এগুলিই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। যদিও ভোট ঘোষণার আগে থেকেই কমিশনের মুখে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ ভোট করার কথা শোনা যাচ্ছিল। আসলে অতীতে বাংলায় নির্বাচন মানেই ছিল উত্তেজনা, সংঘর্ষ ও রাজনৈতিক হিংসার আশঙ্কা। বলা ভালো, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহারের শীতলকুচির ঘটনায় গুলি চালনার পর থেকেই প্রশাসন নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য হয়েছে। এমনকি, সেই ঘটনার পর থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা আরও জোরদার করতেও তৎপর হয়ে উঠেছে কমিশন।

নির্বাচন কমিশনের একটি সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের জন্য এই ৭৫ হাজার লাঠি বরাদ্দ করা হয়েছে। যার মধ্যে CRPF, BSF, SSB-র মতো বাহিনীর সদস্যরাও রয়েছেন। বলা ভালো, এই বাহিনীগুলি দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ এবং ভিড় সামলানোর ক্ষেত্রে দক্ষ হওয়া সত্বেও, স্থানীয় পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম নয়। তাই এমন বাড়তি প্রস্তুতি নিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে, শুধু লাঠি নয়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে উন্নত মানের সরঞ্জাম থাকবে, সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে তাদের। এর পাশাপাশি যে কোনও অশান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তারা যাতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারে তার জন্যও বিশেষভাবে নজর দেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে প্রযুক্তির ব্যবহারও বাড়ানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়া, প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মোতায়েন থাকবে কুইক রেসপন্স টিম, যারা ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবে।

এখানেই শেষ নয়, প্রতিটি পদক্ষেপ রেকর্ড করতে বিভিন্ন গাড়িতে ক্যামেরা লাগানো থাকবে। আর এই লাইভ ফিড সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবে কমিশনের কন্ট্রোল রুম, ফলে যে কোনও রকম ঝামেলা-অশান্তির সুযোগ কমে যাবে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনকেও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্পর্শকাতর বুথ চিহ্নিত করে সেখানে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। একইসঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলিকেও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আবেদন জানানো হয়েছে। এদিকে এই বিশাল বাহিনী মোতায়েন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোরদার তর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই দাবি করেছেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা হতে পারে। তবে, আদতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই এই ব্যবস্থা, নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে এর পিছ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *