Former Municipal Affairs Minister Firhad Hakim publicly praised the work of the new Municipal Affairs Minister, Agnimitra Paul.

নতুন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের কাজের প্রকাশ্য প্রশংসা করলেন প্রাক্তন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম

মন্ত্রিত্ব পাওয়ার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন পুর এলাকায় একের পর এক সারপ্রাইজ ভিজিট করছেন অগ্নিমিত্রা পাল।কোথাও অনিয়ম বা গাফিলতি দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছেন।কর্মকর্তাদেরও কড়া বার্তা দিচ্ছেন তিনি।তাঁর এই সক্রিয় ভূমিকাই এখন প্রশাসনিক মহলে আলোচনার বিষয়।মাত্র আড়াই মাসেই তাঁর কাজ নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা।সেই প্রসঙ্গই উঠে এল বিধানসভায়।

শুক্রবার রাজ্য বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অগ্নিমিত্রা পালের প্রশংসা করেন প্রাক্তন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।
তিনি বলেন, এত অল্প সময়ে যেভাবে নতুন পুরমন্ত্রী কাজ করছেন, তা সত্যিই নজরকাড়া।রাজ্যের নানা প্রান্তে গিয়ে সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন তিনি।
এই উদ্যোগকে ইতিবাচক বলেই উল্লেখ করেন ফিরহাদ।
রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে তিনি প্রকাশ্যে প্রশংসা করেন।
যা বিধানসভায় বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।

ফিরহাদ হাকিম বলেন, “মাত্র আড়াই মাস আপনি সময় পেয়েছেন, তার মধ্যেই যেভাবে চারিদিকে দৌড়াচ্ছেন, আমি হয়তো তা পারিনি।”তিনি জানান, সকাল-সন্ধ্যা বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে কাজ দেখা সহজ বিষয় নয়।অগ্নিমিত্রার সেই পরিশ্রম তিনি স্বীকার করছেন।নিজের সময়ের সঙ্গে তুলনাও টানেন তিনি।এই বক্তব্যে অনেকেই বিস্মিত হন।

 

এরপর ফিরহাদ আরও বলেন, “আমি হয়তো সেটা করতে পারিনি।””এটা আমি স্বীকার করছি।”
একজন অভিজ্ঞ মন্ত্রীর মুখে এমন অকপট স্বীকারোক্তি তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন অনেকে।এতে রাজনৈতিক সৌজন্যের ছবিও ফুটে ওঠে।ভালো কাজের স্বীকৃতি দেওয়ার বার্তাও স্পষ্ট হয়।বিধানসভার পরিবেশ তখন কিছুটা অন্যরকম হয়ে ওঠে।

 

তবে এই প্রশংসার মাঝেই হালকা হাসির পরিবেশও তৈরি হয়।
তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী মন্তব্য করেন।
তার জবাবে ফিরহাদ হাকিমও রসিকতার সুরে কথা বলেন।
তিনি বলেন, “আমি আপনাদের সমর্থন করে বলার চেষ্টা করছি।”আর আপনি আমাকে জোর করে বিরোধী বানানোর তৈরি করছেন।”তাঁর এই মন্তব্যে হাসির রোল ওঠে।

অগ্নিমিত্রা পালের কাজ নিয়ে ফিরহাদ হাকিমের এই মন্তব্য এখন রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
প্রতিপক্ষের ভালো কাজের প্রকাশ্য স্বীকৃতি খুব একটা দেখা যায় না।সেই কারণেই এই ঘটনা আলাদা গুরুত্ব পেয়েছে।
প্রশাসনিক তৎপরতার পাশাপাশি রাজনৈতিক সৌজন্যেরও নজির তৈরি হয়েছে।বিধানসভার এই মুহূর্ত এখন চর্চার বিষয়।
ভালো কাজের প্রশংসাই শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেল।

এটিকে রাজনৈতিক সৌজন্যের একটি উদাহরণ বলা যেতে পারে।কারণ, বিরোধী দলের একজন মন্ত্রীর কাজের প্রশংসা প্রকাশ্যে করা সংসদীয় বা বিধানসভা রাজনীতিতে খুব ঘনঘন দেখা যায় না। তাই এটি রাজনৈতিক সৌজন্য ভালো কাজের স্বীকৃতি পেরিয়ে প্রশংসা হিসেবে বলাই যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *