নবান্নের তরফে জানা গিয়েছে
আসলে বাংলার দুর্গাপুজোকে বিশ্বের সামনে আরও বড় পরিসরে তুলে ধরাই হবে
এই মেগা শোয়ের মূল উদ্দেশ্য
ইতিমধ্যেই অনুষ্ঠানের আয়োজনের প্রস্তুতি পর্ব শুরু হয়ে গিয়েছে
এমনকী তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের তরফে প্রয়োজনীয় কাজের জন্য দরপত্র ডাকার প্রক্রিয়াও এগিয়েছে
বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মেগা অনুষ্ঠানের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে
আশা করা যাচ্ছে, সব কিছু যদি পরিকল্পনামাফিক চলে তাহলে
আগামী ১০ অক্টোবর ইডেন গার্ডেন্সে হবে সেই মেগা অনুষ্ঠান
অনুষ্ঠানের কর্মসূচি এখনও ঠিক করা হয়নি। তবে নবান্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে, বাংলার দুর্গাপুজোর ইতিহাস, দেবীর আগমনী, বিভিন্ন জেলার লোকসংস্কৃতি, ঢাক, ধুনুচি নাচ, ছৌ এবং অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী শিল্পধারাকে সাংস্কৃতিক মঞ্চে পরিবেশন করা হবে। আর এই অনুষ্ঠানে কলকাতার শিল্পীদের পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে বিপুলসংখ্যক শিল্পী ও ঢাকিকে এই অনুষ্ঠানে যুক্ত করা হতে পারে। এবং সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে অনুষ্ঠানটি বিভিন্ন ডিজিটাল ও সম্প্রচার মাধ্যমে দেখানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যটন প্রচারের অংশ হিসেবেও ব্যবহার করা হবে, যাতে রাজ্যের পর্যটন শিল্পের ব্যাপক প্রসার ঘটে।
ইডেনের অনুষ্ঠানের পরিকল্পনায় অসমের মেগা বিহু উৎসবের মডেলও আলোচনায় রয়েছে বলে খবর। ২০২৩ সালের ১৩ ও ১৪ এপ্রিল গুয়াহাটির সরুসজাই স্টেডিয়ামে অসম সরকার একটি বিশাল বিহু নৃত্য ও ঢোলবাদনের আয়োজন করেছিল। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সরকারের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানে হাজার হাজার শিল্পী একই সঙ্গে অংশ নিয়েছিলেন। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ১১,৩০৪ জন নৃত্যশিল্পী ও বাদ্যযন্ত্রী সমবেত বিহু পরিবেশনায় যোগ দেন। গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের চূড়ান্ত নথিতে বৃহত্তম বিহু নৃত্যে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ১১,২৯৮ বলে উল্লেখ রয়েছে। একই অনুষ্ঠানে ২,৫৪৮ জন ঢোলবাদক একসঙ্গে পরিবেশন করে আরও একটি রেকর্ড গড়েছিলেন।
ইডেনে শেষ পর্যন্ত কতজন শিল্পী অংশ নেবেন, অনুষ্ঠানের মূল থিম কী হবে এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উপস্থিত থাকবেন কি না এই সব প্রশ্নের উত্তর এখনও চূড়ান্ত নয়। তবে নবান্নের প্রস্তুতি থেকে স্পষ্ট, রাজনৈতিক পালাবদলের পর বাংলার প্রথম দুর্গাপুজোকে কোনও ভাবেই ম্লান হতে দিতে চাইছে না শুভেন্দু অধিকারীর সরকার
