বাংলার আকাশে আজ পরিবর্তনের নতুন সূর্যোদয়! দ্বিতীয় দফার ভোট চলাকালীন যখন বুথে বুথে মানুষের লম্বা লাইন, ঠিক তখনই দিল্লি থেকে এল এক বজ্রনিঘোষ বার্তা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন—ভারত এবার ইতিহাসের সাক্ষী হতে চলেছে। শুধু বাংলা নয়, পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনেই ফুটতে চলেছে পদ্ম! ৪ মে যখন ইভিএম খুলবে, তখন গোটা দেশ দেখবে বিজেপির এক ঐতিহাসিক জয়ের হ্যাট্ট্রিক। যে পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়ে মানুষ রাস্তায় নেমেছে, সেই স্বপ্ন আজ বাস্তবের দোরগোড়ায়। কারণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মানেই জয়ের গ্যারান্টি। বিহারের কঠিন লড়াই হোক বা গুজরাতের পুরসভা নির্বাচন—মোদীজি প্রমাণ করেছেন যে মানুষের ভালোবাসা থাকলে কোনো অপশক্তিই টেকেনি। আজ বাংলার দ্বিতীয় দফার ভোট চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী দাবি করলেন, এবার জয় হবে ঐতিহাসিক।
বিগত কয়েক দশকে বাংলার মানুষ যে অরাজকতা আর ভয়ভীতি দেখেছে, এবার তার অবসান হতে চলেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের দুর্নীতি আর তোষণ রাজনীতির দিন যে শেষ, তা মানুষের বিপুল জনসমর্থনেই স্পষ্ট। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ৪ মে-র ফলাফল কেবল জয় নয়, বরং দেশের সংকল্পকে আরও মজবুত করবে। যারা উন্নয়নকে রুখতে চেয়েছিল, বাংলার মানুষ এবার তাদের যোগ্য জবাব দিচ্ছে। এবারের নির্বাচন কেবল ভোট নয়, এটি গণতন্ত্রের এক মহোৎসব। প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের মহান জনতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেছেন, মানুষ আজ ভয়মুক্ত পরিবেশে নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করছে। একসময় যেখানে বুথ দখল আর বোমাবাজি ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা, আজ সেখানে মোদীজির দেওয়া নিরাপত্তার আবহে সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিচ্ছে।
বাইরের কোনো চাপ বা কোনো গুন্ডাবাহিনীর রক্তচক্ষু আর বাংলার মানুষকে আটকাতে পারছে না। সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিগুলোই বলে দিচ্ছে—বাংলার মা-বোনেরা আজ মোদীজির উন্নয়নের ওপর ভরসা রেখে ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসছেন। এটাই হলো সেই উন্নত গণতন্ত্রের প্রতীক, যার স্বপ্ন ভারতবাসী দীর্ঘকাল দেখেছে। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, এই জয় কেবল বিজেপির জয় নয়, এটি ভারতের বিকাশের জয়। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে এমন উদ্দীপনা এর আগে কখনও দেখা যায়নি। তাই প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে অনুরোধ করেছেন, যেন তারা গণতন্ত্রের এই উৎসবে আরও বেশি করে শামিল হন। তাছাড়া, যে গতিতে বিজেপি এগিয়ে চলেছে, তা দেশের বিকাশে এক নতুন শক্তি যোগাবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
বলা ভালো, তৃণমূল যখন পরাজয়ের আতঙ্কে বিভিন্ন অজুহাত খুঁজছে, তখন মোদীজি শান্ত মাথায় বাংলার মানুষের জন্য এক সোনালী ভবিষ্যতের রূপরেখা এঁকে চলেছেন। তার প্রতিটি কথা আজ বাংলার মানুষের মনে নতুন আশার আলো জ্বালিয়ে দিয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, ৪ঠা মে-র ফলাফল কি তবে নতুন ভারতের পথ প্রশস্ত করবে? প্রধানমন্ত্রীর এই আত্মবিশ্বাসী ঘোষণা কি তৃণমূলের কফিনের শেষ পেরেক? উত্তরটা সময়ের অপেক্ষায়, কিন্তু আজ বাংলার মেজাজ দেখে স্পষ্ট—মানুষ আর পেছনে ফিরতে রাজি নয়। প্রধানমন্ত্রীর চরণে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বাংলা আজ পা বাড়িয়েছে এক নতুন ভোরের দিকে। যেখানে থাকবে না কোনো ভয়, থাকবে শুধু উন্নয়ন।