Posting offensive content about the Chief Minister will land you in jail.

মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করলেই ঠাঁই হবে জেলে! ভিউ পাওয়ার নেশায় আর মুখ্যমন্ত্রীকে করা যাবে না অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ!

হুঁশিয়ারি আগেই দেওয়া হয়েছিল, এবার কাজ করে দেখাল পুলিশ। বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে সমাজমাধ্যমে নোংরামি আর অশ্রাব্য গালিগালাজ? দিনহাটার দুই যুবকের সেই দুঃসাহসের ফল মিলল হাতে-নাতে। মাজিনুর রহমান এবং আলি হোসেন—নামের এই দুই ‘কন্টেন্ট ক্রিয়েটর’ এখন দিনহাটা থানার লকআপে দিন গুনছে। তৃণমূলের রাজত্বে যারা ভেবেছিল গায়ের জোরে বা গালিগালাজ করে পার পাওয়া যাবে, সেই ভুল এবার ভাঙার সময় এসেছে। পিসি-ভাইপোর আমলে যারা বিরোধী নেতাদের আক্রমণ করে ‘পুরস্কার’ পেত, শুভেন্দু জমানায় তাদের ঠাঁই হবে শুধুই কারাগারে। বিজেপি সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে—বাক-স্বাধীনতার নামে অভদ্রতা আর নোংরামি কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।

কী অভিযোগ এদের বিরুদ্ধে?

জানা যাচ্ছে, ভিউ আর লাইকের নেশায় বুঁদ হয়ে এই দুই যুবক সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিল, যেখানে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানকে লক্ষ্য করে জঘন্য ভাষায় আক্রমণ চালানো হয়। ভিডিওটি ভাইরাল হতেই সক্রিয় হয় প্রশাসন। মুহূর্তের মধ্যে অভিযান চালিয়ে এদের পাকড়াও করে পুলিশ। শুধু এই দুজন নয়, যারা আড়ালে বসে এই ধরনের চক্রান্ত করছে, তাদের তালিকাও কিন্তু এখন পুলিশের টেবিলে। রাজ্যে পালাবদলের পর পুলিশ প্রশাসনের এই সক্রিয়তা আজ চোখে পড়ার মতো। পুলিশ প্রশাসন সাফ জানিয়ে দিয়েছে—সোশাল মিডিয়ায় দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। কোনো ব্যক্তির সম্মানহানি করা বা ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দেওয়া—সবক্ষেত্রেই নেওয়া হবে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি। বিভিন্ন থানায় মিটিং করে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু যারা জেনেবুঝে অপরাধ করবে, তাদের জন্য পুলিশের লাঠি তৈরি।

বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর নবান্ন থেকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—অনৈতিক কাজ আর অরাজকতাকে কোনো প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। যারা ভাবছিল বাংলার সরকার মানেই শুধু তোষণ, তারা আজ দেখে নিক ‘অ্যাকশন’ কাকে বলে। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বাংলা আজ যেমন উন্নয়নের পথে হাঁটছে, তেমনই প্রশাসনিক স্তরেও ফিরছে সেই হারিয়ে যাওয়া শৃঙ্খলা। দিনহাটার এই ঘটনা বাংলার প্রতিটি প্রান্তে এক কড়া বার্তা পৌঁছে দিল। লাইক-শেয়ারের চক্করে পড়ে যারা মুখ্যমন্ত্রী বা প্রশাসনের অমর্যাদা করার কথা ভাবছেন, তারা এখনই সাবধান হোন। কারণ, বদলা নয়, বদল এবং আইনের শাসনের নামই হলো শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। আপনার কী মনে হয়? সমাজমাধ্যমে সুস্থ আচরণ ফেরাতে পুলিশের এই কড়া পদক্ষেপ কি আসলেও জরুরি ছিল? কমেন্টে আপনার মতামত জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *