Suvendu's Decision Gives Opponents Sleepless Nights

বাংলার প্রতিটি স্কুলে বাধ্যতামূলক ‘বন্দেমাতরম’! শুভেন্দুর সিদ্ধান্তে ঘুম উড়ল বিরোধীদের!

এবার আগামীর প্রজন্মের চিন্তাধারায় বদল আনতে চলেছে বাংলার নতুন সরকার। কারণ এখন থেকে প্রতিটি সরকারি স্কুলে ধ্বনিত হবে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সেই কালজয়ী সুর—’বন্দেমাতরম’। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে এবার থেকে স্কুল শুরুর প্রাক্কালে বাধ্যতামূলক হচ্ছে জাতীয় গীত। এ কোনো নিছক নির্দেশ নয়, এ হলো বাঙালির হারানো ঐতিহ্যকে পুনরায় প্রতিষ্ঠার এক শপথ। বিগত এক দশকের বেশি সময় ধরে বাংলায় চলেছিল ইতিহাসের বিকৃতি। তথাকথিত সাম্প্রদায়িকতার দোহাই দিয়ে যে গানকে ব্রাত্য করে রাখা হয়েছিল, যে গানের মাধ্যমে দেশপ্রেম জাগানো পাপ বলে গণ্য হতো—তৃণমূল জমানার সেই কালো মেঘ এবার সরে গেছে। পিসি-ভাইপোর তোষণ মডেলকে ডাস্টবিনে ফেলে দিয়ে শুভেন্দু সরকার বুঝিয়ে দিল, বাংলার মাটিকে এবার জাতীয়তাবাদের রঙে রাঙিয়ে তোলা হবে।

গরমের ছুটি এখনও শেষ হয়নি, কিন্তু তার আগেই প্রতিটি জেলায় পৌঁছে গেছে নির্দেশিকা। স্কুল পরিদর্শকরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—উপরমহল থেকে সবুজ সংকেত এসে গেছে। আলিপুরদুয়ার থেকে ককদ্বীপ—শিক্ষা দফতরের প্রতিটি স্তরে এখন সাজ সাজ রব। সোমবার থেকে যখন স্কুলের ঘণ্টা বাজবে, তখন সেই ঘণ্টার ধ্বনির সাথে মিশে যাবে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বন্দে মাতরম’। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে এক বিরাট বার্তা দিয়েছেন। তাঁর কথায়—”বিকৃত ইতিহাস বদলের এটাই সঠিক সময়।” কেন্দ্র সরকার বহু আগেই এই নির্দেশ দিয়েছিল, কিন্তু প্রাক্তন সরকার কেবল ভোটের রাজনীতি করতে গিয়ে বাংলার শিশুদের এই মহান গান থেকে বঞ্চিত রেখেছিল। শমীকবাবুর এই হুঙ্কার আজ বুঝিয়ে দিচ্ছে—পশ্চিমবঙ্গ দিবস থেকে শুরু করে প্রকৃত ইতিহাস, কোনো কিছু নিয়েই আর বিভ্রান্তি ছড়ানো যাবে না।

এই সিদ্ধান্তে খুশি শিক্ষক মহলও। অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসংঘ স্পষ্ট জানিয়েছে, এত দিন যে রাষ্ট্রগীতকে বাক্সবন্দি করে রাখা হয়েছিল, তা আজ ডানা মেলল। হিন্দু রাষ্ট্রের পথে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া এবং নিজের সংস্কৃতির ধারক-বাহক হওয়ার এই সুযোগকে হাতছাড়া করতে নারাজ বর্তমান সরকার। শুভেন্দু অধিকারী সাফ বার্তা দিয়েছেন, সোমবার থেকেই সরকারি স্কুলে প্রার্থনা সংগীত হিসেবে বন্দেমাতরম চালু হচ্ছে। নবান্নের করিডোর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামের পাঠশালা—সর্বত্র এবার একটাই সুর। যারা ভারতকে টুকরো করতে চেয়েছিল, যারা তোষণের আড়ালে দেশপ্রেমকে স্তব্ধ করতে চেয়েছিল, তাদের কফিনে এটিই শেষ পেরেক।

বিজেপি শাসিত বাংলায় এবার শুধু উন্নয়ন নয়, হবে চরিত্রের শুদ্ধিকরণ। বিকৃত ইতিহাসের শিকল ছিঁড়ে বাংলা আবার তার স্বমহিমায় ফিরছে। বন্দেমাতরম ধ্বনির এই পুনর্জাগরণই হবে সোনার বাংলা গড়ার প্রথম মন্ত্র। আপনার কী মনে হয়? স্কুলে বন্দেমাতরম বাধ্যতামূলক করে কি শুভেন্দু অধিকারী বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনলেন? কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত অবশ্যই জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *