The audacity to light a cigarette using the flames from a burning photograph of the Prime Minister! Bengal Police have arrested Soumik from Barasat.

প্রধানমন্ত্রীর ছবিতে আগুন দিয়ে সিগারেট ধরানোর ঔদ্ধত্য ! বারাসত থেকে সৌমিককে গ্রেফতার করল বাংলার পুলিশ!

গণতান্ত্রিক দেশে প্রতিবাদের অধিকার সবার রয়েছে, কিন্তু প্রতিবাদের নাম করে দেশের প্রধানমন্ত্রী তথা সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদকে অপমান করা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তা নিয়ে সস্তায় ভাইরাল হওয়ার চেষ্টা যে কত বড় অপরাধ— তা আরও একবার প্রমাণ হয়ে গেল বারাসতের এক ঘটনার মধ্য দিয়ে। নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুক্রবার কলকাতায় বামপন্থী ছাত্র সংগঠন ও ককরোচ পার্টির ডাকা যৌথ মিছিলে এক নজিরবিহীন ও জঘন্য ঘটনার সাক্ষী থাকল তিলোত্তমা। মিছিল চলাকালীন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ছবিতে আগুন ধরিয়ে, সেই জ্বলন্ত ছবি থেকে ধীরেস সুস্থে সিগারেটে আগুন ধরানোর অভিযোগে বারাসতের বাদু এলাকার বাসিন্দা সৌমিক চট্টোপাধ্যায় নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

অভিযোগ, শিয়ালদহ থেকে শুরু হওয়া ওই প্রতিবাদের মিছিলে যোগ দিয়ে কেবল প্রধানমন্ত্রী মোদীর ছবিতেই আগুন ধরানো হয়নি, বরং সেই ছবি দিয়ে সিগারেট জ্বালানোর দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করে নিজেই গর্বের সাথে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন সৌমিক। দেশের প্রধানমন্ত্রীর ছবির এই তীব্র অবমাননা এবং আইনশৃঙ্খলাকে চ্যালেঞ্জ জানানোর সেই ছবি ও ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তীব্র ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে স্থানীয়দের মধ্যে। বারাসত থানায় বিজেপি কর্মী ও সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা মাত্রই, পুলিশ কালবিলম্ব না করে অভিযুক্ত সৌমিক চট্টোপাধ্যায়কে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে এবং বারাসত আদালতে পেশ করে। বারাসত থানার বাইরে ক্ষুব্ধ নাগরিকরা এ দিন অপরাধীর উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভও প্রদর্শন করেন।

অন্যদিকে, ছেলের এই অমার্জনীয় ও আপত্তিকর কাজের জন্য সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছেন সৌমিকের বাবা। ক্যামেরার সামনে এসে নিজের হতাশা প্রকাশ করে তিনি জানান যে, তাঁর পরিবার কখনোই এই ধরনের জঘন্য কাজ বা রাজনীতিকে সমর্থন করে না। আইনের ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে তিনি এই ঘটনার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমাও চেয়ে নেন। তো নিট আন্দোলনের নাম করে একটি দায়িত্বশীল ছাত্র আন্দোলনকে কীভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কুৎসায় পরিণত করা হচ্ছে, এই ঘটনা তার এক জ্বলন্ত প্রমাণ। প্রতিবাদের নামে দেশের ঐতিহ্য ও সাংবিধানিক পদের অবমাননাকে বরদাস্ত না করে অপরাধীর বিরুদ্ধে এই কড়া আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ সত্যিই এক শৃঙ্খলাবদ্ধ, সুশাসিত ও আইনশ্রদ্ধ সমাজ ব্যবস্থার অনন্য নজির সৃষ্টি করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *