The moment Suvendu took his seat in the chair, the sky came crashing down upon the ineligible.

শুভেন্দু চেয়ারে বসতেই অযোগ্যদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল ! পিসি-ভাইপোর আমলে চাকরি চুরিই এবার কাল হলো!

পাপ বাপকেও ছাড়ে না! গত দশ বছর ধরে বাংলার যোগ্য মেধাবী প্রার্থীদের চোখের জলে ভাসিয়ে যারা পিছনের দরজা দিয়ে চাকরি পেয়েছিল, তাদের জন্য এবার যমদূত হয়ে হাজির হলো শুভেন্দু সরকার। মঙ্গলবারই শিক্ষা দপ্তর থেকে জেলায় জেলায় জেলাশাসকদের কাছে পৌঁছে গেছে সেই চরম চিঠি। নির্দেশ স্পষ্ট—২০১৬-র দুর্নীতির দায়ে চাকরি হারানো অযোগ্যদের বেতন এবার সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতেই হবে। তৃণমূল জমানায় যা ছিল ‘অসম্ভব’, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসেই তা ‘বাস্তব’ করে দেখাল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এতদিন আদালতের নির্দেশকে ফাইলবন্দি করে রেখে অযোগ্যদের আড়াল করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছিল। কিন্তু পরিবর্তন আর ন্যায়ের সরকার এসেই সেই ফাইল থেকে ধুলো ঝেড়ে ফেলেছে। যারা র‍্যাঙ্ক জাম্প করে বা ওএমআর শিট জালিয়াতি করে অন্যের হকের রুটি কেড়ে নিয়েছিল, তাদের থেকে এবার প্রতিটা পয়সা আদায় করবে নবান্ন।

কিন্তু মুদ্রার উল্টো পিঠটা আজ অত্যন্ত ভয়াবহ। যারা বছরের পর বছর দুর্নীতির টাকায় আভিজাত্যের স্বপ্ন দেখেছিল, আজ তাদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে। আদালতের নির্দেশে ১২ শতাংশ সুদে এই বিপুল পরিমাণ টাকা ফেরত দেওয়া মানে—অনেকেরই এখন সর্বস্বান্ত হওয়ার জোগাড়। যারা জমি বিক্রি করে বা ঘটি-বাটি বেঁচে অসাধু উপায়ে চাকরি কিনেছিল, আজ তাদের ঘরে উনুন জ্বলছে না। কারো আত্মহত্যার চিন্তা, তো কারো ঘরছাড়া হওয়ার উপক্রম। নিয়তি আজ তাদের এমন জায়গায় দাঁড় করিয়েছে, যেখানে না আছে সম্মান, না আছে মাথার ওপর ছাদ।

আইনজীবী ফিরদৌস শামিম থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ—সবাই আজ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছেন। সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টের নির্দেশ মানতে বাধ্য সরকার। বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এটা কোনো প্রতিহিংসা নয়, বরং আদালতের নির্দেশে ন্যায়ের প্রতিফলন। মানবিক খাতিরে শুধুমাত্র বিশেষ সক্ষমদের ছাড় দেওয়া হলেও, বাকি জালিয়াতদের কোনো ক্ষমা নেই।
যোগ্যদের রক্ত আর চোখের জলের ওপর দাঁড়িয়ে যারা রাজপ্রাসাদ গড়েছিল, তাদের সেই প্রাসাদ আজ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে। শুভেন্দু অধিকারীর বার্তা পরিষ্কার—বাংলার শিক্ষা দপ্তরকে জঞ্জালমুক্ত করা হবে। অযোগ্যদের থেকে উদ্ধার করা এই টাকা ব্যবহার করা হবে বাংলার ভাঙাচোরা স্কুলগুলোর উন্নয়নে।

তৃণমূলের দুর্নীতির পাপ ধুতে সময় লাগবে ঠিকই, কিন্তু শুরুটা হয়ে গেছে। যারা অন্যের স্বপ্ন চুরি করেছিল, তাদের ঠিকানা এবার হয়তো রাজপথ কিংবা শ্রীঘর। বাংলার মেধা আবার তার সঠিক সম্মান ফিরে পাবে—শুভেন্দু সরকারের হাত ধরে শুরু হলো সেই ঐতিহাসিক যাত্রা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *