100 for spitting, 200 for urinating on the street.

থুতু ফেললেই ১০০, রাস্তায় প্রস্রাব করলে ২০০! শহরের রাস্তাঘাট নোংরা করলে এবার পকেটে পড়বে বড়সড় চাপ!

পথঘাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে এবার কড়া পদক্ষেপের পথে রাজ্য সরকার। পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ঘোষণা করেছেন, জনসমক্ষে নোংরা করলে আর রেহাই মিলবে না। নতুন নিয়ম অনুযায়ী,
রাস্তায় থুতু ফেললে জরিমানা ১০০ টাকা।রাস্তায় প্রস্রাব করলে জরিমানা ২০০ টাকা।
যেখানে-সেখানে প্লাস্টিক ফেললে জরিমানা ২০০ টাকা। মন্ত্রী জানান, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকেই এই নিয়ম কার্যকর করা হবে। সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাতে বাজারে বসানো হবে বিশেষ ভেন্ডিং মেশিন। সেখান থেকে সাধারণ মানুষ মাল্টিপারপাস বা পুনর্ব্যবহারযোগ্য ব্যাগ সংগ্রহ করতে পারবেন। সরকারের তরফে আবেদন জানানো হয়েছে, কেনাকাটার সময় যেন কেউ সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহার না করেন।

শহরকে আরও আধুনিক ও আকর্ষণীয় করে তুলতে ডিজিটাল হোর্ডিং বসানোর পরিকল্পনাও ঘোষণা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই পার্ক স্ট্রিটের সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের সামনে এবং বরদান মার্কেট এলাকায় ডিজিটাল হোর্ডিং বসানো হয়েছে। মন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহান্তে সেখানে বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ সম্প্রচার করা হবে। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যোগব্যায়াম কর্মসূচিও দেখানো হবে।
ভবিষ্যতে পার্ক স্ট্রিট, ক্যাম্যাক স্ট্রিট এবং থিয়েটার রোডেও বড় ডিজিটাল হোর্ডিং বসানো হবে।

শহরের বাসযাত্রীদের সুবিধার জন্য সমস্ত বাস স্ট্যান্ডকে ধাপে ধাপে সোলারচালিত ডিজিটাল বাস স্ট্যান্ডে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন মন্ত্রী। পুর এলাকার যে কোনও সমস্যা নিয়ে এবার সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ। হেল্পলাইন নম্বর: 18003450938 বর্তমানে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত পরিষেবা মিলবে। খুব শীঘ্রই এটি ২৪ ঘণ্টার পরিষেবায় পরিণত হবে বলে জানানো হয়েছে। ডেঙ্গি, অবৈধ নির্মাণ, নিকাশি সমস্যা, আবর্জনা—যে কোনও নাগরিক সমস্যার অভিযোগ এখানেই জানানো যাবে।

মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনও দোকানের সামনে নোংরা আবর্জনা পড়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট দোকানদারের বিরুদ্ধেও জরিমানার ব্যবস্থা করা হবে। শহরকে পরিষ্কার ও আধুনিক করতে একদিকে যেমন কড়া জরিমানার ব্যবস্থা, অন্যদিকে নাগরিক সুবিধা বাড়াতে ডিজিটাল পরিষেবা ও নতুন পরিকাঠামোর পরিকল্পনা দুই পথেই এগোতে চাইছে সরকার। তবে প্রশ্ন একটাই, নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার পর কতটা বদলাবে শহরের চেহারা? সেদিকেই এখন নজর সকলের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *