Free services now available in private hospitals too! New rules introduced following the end of the 'syndicate raj' in Bengal!

এবার বেসরকারি হাসপাতালেও মিলবে ফ্রি পরিষেবা! বাংলায় সিন্ডিকেট রাজ খতম হতেই, চালু নয়া নিয়ম!

বিগত কয়েক বছর ধরে সিন্ডিকেট, কাটমানি আর চরম অরাজকতায় ধুঁকছিল বাংলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। আরজি কর-কাণ্ড থেকে শুরু করে জেলা হাসপাতালের ‘রেফার রোগ’— সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে বিদায়ী তৃণমূল সরকার। কিন্তু অবশেষে সুদিন ফিরল! রাজ্যে আইনের শাসন কায়েম হতেই, মুমূর্ষু স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে অক্সিজেন দিতে ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিল রাজ্যের নয়া বিজেপি সরকার। দায়িত্ব নিয়েই বড়সড় মাস্টারস্ট্রোক দিলেন নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়! আসলে এতদিন সরকারি হাসপাতাল মানেই ছিল দালাল চক্রের দাপট, শয্যার আকাল আর বুক কাঁপানো ‘রেফার রোগ’। এমনকি, হাসপাতালের বারান্দায় ধুঁকে ধুঁকে অকালমৃত্যুই যেন ছিল বাংলার সাধারণ মানুষের নিয়তি। কিন্তু কেন এই কঙ্কালসার দশা ছিল? কারণ, আগের সরকারের লক্ষ্য চিকিৎসা ছিল না, লক্ষ্য ছিল কেবলই কাটমানি! তাই চিকিৎসকদের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে সাধারণের ন্যূনতম পরিষেবা— সবটাই গ্রাস করেছিল দুর্নীতি। এবার সেই অন্ধকার অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে নতুন দিগন্তের সূচনা হলো বাংলায়।

নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় সাফ জানিয়েছেন, সরকারি হাসপাতালে বেড না পেয়ে আর কোনও রোগীকে বিনা চিকিৎসায় ফিরে যেতে হবে না। তাছাড়া, সরকারি হাসপাতালে জায়গা না মিললে, রোগীকে সরাসরি স্থানান্তরিত করা হবে নিকটবর্তী নামী বেসরকারি হাসপাতালে। আর তার জন্য শহরের সমস্ত বেসরকারি হাসপাতালের ১০% শয্যা বাধ্যতামূলকভাবে সংরক্ষিত থাকবে। যেখানে গরিব ও মধ্যবিত্ত মানুষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে, একবারে নিখরচায় পাবেন বিশ্বমানের চিকিৎসা পরিষেবা। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, এই অভাবনীয় সুবিধা পেতে সাধারণ মানুষকে আর কোনও রাজনৈতিক দলদাসের কাছে হাত পাততে হবে না। লাগবে না কোনো বিশেষ স্বাস্থ্য কার্ড বা লাল ফিতের ফাঁসের জটিলতা। শুধুমাত্র পকেটে নিজের বৈধ পরিচয়পত্র হিসেবে ‘আধার কার্ড’ থাকলেই বেসরকারি হাসপাতালের এই ১০% সংরক্ষিত শয্যায় মিলবে VIP পরিষেবা। হয়রানিমুক্ত, স্বচ্ছ এবং দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতেই মোদীজির ডিজিটাল ইন্ডিয়ার মন্ত্রকে হাতিয়ার করে এই আধার কার্ডের নিয়ম বাধ্যতামূলক করেছে নতুন সরকার।

এদিকে এই ঐতিহাসিক ঘোষণার পাশাপাশি তৃণমূল সরকারকে তুলোধোনা করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। বিগত সরকারের ‘রেফার রোগ’ এবং কাটমানি সংস্কৃতির তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন— “আগে তো শুধু কাটমানি নেওয়া হতো! তাই চক্ষুলজ্জার খাতিরে কেউ বেসরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে পরিষেবা দেওয়ার কথা বলতেই পারত না। এখন রাজ্যে আইনের শাসন কায়েম হয়েছে, তাই মানুষের হিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হলো।” হ্যাঁ, চিকিৎসাকে যারা ব্যবসায় পরিণত করেছিল, তাদের বিদায় দিয়ে এখন বাংলায় একে একে আসল পরিবর্তন আসছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, এই নয়া পরিকাঠামো আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই পুরোদমে কার্যকর হতে চলেছে। যা শুধু শহর নয়, প্রত্যন্ত এলাকার প্রান্তিক মানুষও যাতে এই সুবিধার কথা জানতে পারেন সে জন্য খুব শীঘ্রই সরকারি বিজ্ঞাপন এবং একটি বিশেষ টোল-ফ্রি নম্বর স্বাস্থ্য দফতর চালু করতে চলেছে। সত্যি বলতে, সিন্ডিকেট রাজ খতম করে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন সরকারের এই মাস্টারস্ট্রোক সত্যিই প্রশংসনীয়। এ বিষয়ে আপনার রায় কী? জানান কমেন্টে!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *