Everyone from the secondary level to the master's level will receive a one-time government scholarship of ₹10,000! The BJP government has launched this scheme.

মাধ্যমিক থেকে মাস্টার্স সবাই পাবে এককালীন ১০,০০০ টাকার সরকারি স্কলারশিপ! চালু করল বিজেপি সরকার

রাজ্যের ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করতে এবং মেধাবী ও দুস্থ পড়ুয়াদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করতে এক বড় সিদ্ধান্ত নিল নব্য রাজ্য সরকার। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক থেকে শুরু করে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগ্য পড়ুয়াদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়ে গেল ‘মুখ্যমন্ত্রী স্কলারশিপ প্রকল্প’। এই বিশেষ উদ্যোগের অধীনে রাজ্যের হাজার হাজার মেধাবী শিক্ষার্থীকে বার্ষিক ১০,০০০ টাকা করে বৃত্তি বা স্কলারশিপ দেওয়া হবে। সরাসরি ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে এই আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ইতিমধ্যেই নবান্নের নির্দেশে চালু করা হয়েছে একটি নতুন এবং ডেডিকেটেড অনলাইন পোর্টাল।

কারা এই স্কলারশিপ পাওয়ার যোগ্য? রাজ্য সরকারের নিয়ম অনুযায়ী, যে সমস্ত পড়ুয়া মাধ্যমিক পাস করে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছেন, কিংবা উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে বিএ, বিএসসি বা বিকম পড়ছেন, অথবা স্নাতকোত্তর বা মাস্টার্স স্তরে পড়াশোনা করছেন— তাঁরা সকলেই এই মুখ্যমন্ত্রী স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে আবেদনকারীর পরিবারের বার্ষিক আয় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার মধ্যে হতে হবে এবং আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। নামী সরকারি বা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই এই সুবিধা পাবেন। স্কুল পর্ষদের পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫০% থেকে ৬০% নম্বর এবং স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরে ৫০% থেকে ৫৩% নম্বর পাওয়া পড়ুয়ারা এই স্কলারশিপের জন্য বিবেচিত হবেন।

আবেদন প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে বিশেষ নজর দিয়েছে প্রশাসন। কোনো দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর চক্কর ছাড়াই সম্পূর্ণ অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন থেকে ভেরিফিকেশন— সব কাজ সম্পন্ন করা যাবে। আবেদনের সময় প্রয়োজনীয় নথির তালিকায় রয়েছে সর্বশেষ পাস করা পরীক্ষার মার্কশিট, আধার কার্ড, পাসপোর্ট সাইজ ছবি, আয়ের প্রমাণপত্র, স্থানীয় বিধায়ক বা সাংসদের সুপারিশপত্র এবং পড়ুয়ার নিজস্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস, সচল মোবাইল নম্বর ও ইমেল আইডি। তো শিক্ষা ব্যবস্থাকে সব স্তরের মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসতে এবং পড়ুয়াদের স্বপ্ন পূরণ করতে শুভেন্দু সরকারের এই সময়োপযোগী ও কল্যাণমুখী উদ্যোগ সত্যিই এক প্রগতিশীল বাংলার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *