A major update regarding the Annapurna scheme has just been revealed; a slight mistake could lead to a significant loss.

অন্নপূর্ণার টাকা নিয়ে এবার বড় আপডেট প্রকাশ্যে এল একটু ভুল করলেই বড় ক্ষতি

গত ১ জুলাই থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রতিশ্রুতি মতো অন্নপূর্ণা যোজনার ৩,০০০ টাকা বহু উপভোক্তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা পড়তে শুরু করেছে। রাজ্যের সাধারণ মহিলাদের আর্থিক স্বাবলম্বী করতে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বরাদ্দ দ্বিগুণ করে এই নতুন প্রকল্প চালু করেছে বর্তমান বিজেপি সরকার। কিন্তু টাকা বণ্টন শুরু হতেই সামনে এসেছে একাধিক গরমিল। বহু যোগ্য আবেদনকারীর ফর্ম যেমন বাতিল হচ্ছে, ঠিক তেমনই তথ্য গোপন করে অনেক অযোগ্য ব্যক্তিও এই ভাতার সুবিধা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে অযোগ্যদের চিহ্নিত করতে ও টাকা ফেরত নিতে বড়সড় পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিল প্রশাসন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য যাঁরা তথ্য গোপন করেছেন বা ভুল তথ্য দিয়ে আবেদন করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।যে সমস্ত আবেদনকারী নিজেদের নথিতে ভুল তথ্য দিয়ে প্রকল্পের সুবিধা নিচ্ছেন, তাঁদের আবেদনপত্র পুনরায় খতিয়ে দেখা হবে।

স্ক্রুটিনি বা পুনর্বিবেচনার পর যদি দেখা যায় কোনো উপভোক্তা এই সরকারি ভাতার জন্য উপযুক্ত নন, তবে তাঁর নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, তথ্য গোপন করে ইতিমধ্যেই অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাওয়া টাকা সরকারের কোষাগারে ফেরত দিতে হবে সংশ্লিষ্ট উপভোক্তাকে।

রাজ্যের পুর ও নারী-শিশুকল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এই বিষয়ে কঠোর বার্তা দিয়েছেন। তিনি জানান, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা বণ্টনের আগে এবং পরে উভয় ক্ষেত্রেই তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এই প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা যাতে শুধুমাত্র প্রকৃত যোগ্য আবেদনকারীদের কাছেই পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করা হবে। নথিতে কোনো রকম অসঙ্গতি থাকলে সেই নাম সঙ্গে সঙ্গে বাতিল করা হবে।আগেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, শুধুমাত্র বাংলার যোগ্য মহিলাদের কাছেই মাসে মাসে পৌঁছে যাবে ‘
অন্নপূর্ণা যোজনার ৩০০০ টাকা। কোনও অযোগ্যরা এবার এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।

 

ইতিমধ্যেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভেরিফিকেশন শুরু হয়েছে। যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছিল, তাঁদের নথিপত্র পুনরায় যাচাই করা হচ্ছে। পাশাপাশি এবার ভোটার তালিকা ও এসআইআর তালিকাও মিলিয়ে দেখছে সরকার।মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল আরও জানিয়েছেন, যাঁরা সিএএ-তে আবেদন করেছেন, ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন, সেই কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হবে। তথ্য লুকিয়ে সরকারি প্রকল্পের টাকা নেওয়ার চেষ্টা করলে, এই সরকার তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করবে। তাই এখনই সতর্ক হয়ে যান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *