বিজয়া দশমীর আগেই ‘টার্গেট’ ১০ হাজার! বাংলায় কি আরও বড় সাংগঠনিক বিস্তারের পথে আরএসএস?

বাংলায় সংগঠন বিস্তারে বড় লক্ষ্যমাত্রা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের। আরএসএস সূত্রের দাবি, বর্তমানে রাজ্যে তাদের প্রায় ৫ হাজার শাখা ও শাখা-মিলনমণ্ডলী রয়েছে। বিজয়া দশমীর মধ্যে সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ১০ হাজার করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে আগামী ৮ অক্টোবর রাজ্যে আসছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। তাঁর বর্ধমান সফর ঘিরে সাংগঠনিক কাঠামো, সংগঠনের বিস্তার এবং সাংগঠনিক নির্বাচন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

একদিকে সংগঠন বিস্তারের লক্ষ্যমাত্রা, অন্যদিকে শীর্ষ নেতৃত্বের রাজ্য সফর। আগামী ৮ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গে আসছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত। বর্ধমানে তাঁর যাওয়ার কথা রয়েছে। আরএসএস সূত্রের দাবি, এই সফরে রাজ্যের সাংগঠনিক পরিকাঠামো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে সাংগঠনিক নির্বাচন এবং আগামী দিনে সংগঠনকে আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

গত মার্চের পর থেকেই শাখা ও শাখা-মিলনমণ্ডলী বাড়ানোর কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সংঘ। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১ অক্টোবর থেকে ১০ অক্টোবর—টানা দশ দিন বিভিন্ন জায়গায় শাখা করার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। সংঘের বক্তব্য, এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিজয়া দশমীর মধ্যে ১০ হাজার জায়গায় শাখা করার লক্ষ্য পূরণ করতে চায় তারা। শুধু সাংগঠনিক বিস্তার নয়, সমাজের বিভিন্ন অংশের কাছে পৌঁছনোর পরিকল্পনাও রয়েছে সংঘের। আরএসএস সূত্রে জানা যাচ্ছে, রাষ্ট্রবাদী ভাবনায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নাগরিকদের উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

আগামী ২ ও ৩ অক্টোবর ধন্যধান্যে স্টেডিয়ামে ‘মাইনোরিটি সিটিজেন ফোরাম’-এর ব্যানারে একটি কর্মসূচি হওয়ার কথা। সেখানে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শহিদ আক্তারের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এরই মধ্যে ৮ অক্টোবর মোহন ভাগবতের রাজ্য সফর।বর্ধমানে তাঁর কর্মসূচি ঘিরে ইতিমধ্যেই সংগঠনের অন্দরে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সাংগঠনিক নির্বাচন থেকে শুরু করে রাজ্যে সংঘের সাংগঠনিক কাঠামো কীভাবে আরও শক্তিশালী করা যায় সেই বিষয়গুলিই আলোচনার কেন্দ্রে থাকতে পারে। আর সবচেয়ে বড় লক্ষ্য বিজয়া দশমীর মধ্যে ১০ হাজার শাখা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *