Chief Minister Suvendu Adhikari gives a major hint regarding the renaming of the state!

রাজ্যের নাম বদল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দিলেন বড় ইঙ্গিত !

রাজ্যের নাম পরিবর্তন থেকে শুরু করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, হাওড়া-কলকাতার পুর-পুনর্গঠন এবং টাটা গোষ্ঠীর প্রত্যাবর্তন— একঝাঁক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ইস্যু নিয়ে মুখ খুলে রাজ্য রাজনীতিতে বিরাট তোলপাড় ফেলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী। সম্প্রতি নবান্নে অনুষ্ঠিত ক্যাবিনেট বৈঠকের পর একাধিক স্পর্শকাতর ও জনকল্যাণমুখী সিদ্ধান্তের কথা সামনে এসেছে। বিশেষ করে, রাজ্যের নাম ‘বাংলা’ করার দীর্ঘদিনের প্রস্তাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান— ‘পশ্চিমবঙ্গ’ নামটার সাথে রাজ্যবাসীর এক অগাধ আবেগ ও সেন্টিমেন্ট জড়িত রয়েছে। তবে কেন্দ্র সরকার যখন এই নিয়ে কোনো লিখিত মতামত জানতে চাইবে, তখন নবান্নের তরফে স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট বক্তব্য তুলে ধরা হবে।

পাশাপাশি, রাজ্যের কোটি কোটি মহিলার প্রতীক্ষিত ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ প্রকল্প নিয়েও এক বড় ঘোষণা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, এ পর্যন্ত মোট ২ কোটি ১৬ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে এবং তার ভেরিফিকেশন বা তথ্য যাচাই পর্ব প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী ১৭ই আগস্ট থেকেই নিয়ম মেনে সরাসরি যোগ্য উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই ভাতার টাকা পাঠানো শুরু হবে। সংকল্প পত্র অনুযায়ী ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী যোগ্য নারীরা মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহেই নির্দিষ্ট সুবিধা পেয়ে যাবেন। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান— সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি ভুয়ো তথ্য ও বিভ্রান্তিকর রিলস ছড়াচ্ছে, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রশাসনিক পরিকাঠামো শক্তিশালী করতে আগামী ১২ই আগস্ট বিধানসভার এক বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। সেখানে হাওড়া পুরনিগমে ৬৮টি এবং কলকাতা পুরনিগমে ২০৯টি ওয়ার্ড পুনর্গঠনের বিল পেশ করতে চলেছে নব্য সরকার। শুধু তাই নয়, সিঙ্গুর ইস্যুতে টাটা গোষ্ঠীকে সুপ্রিম কোর্ট ও ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও সদর্থক আলোচনা হয়েছে। নবান্নের বার্তা— টাটা গোষ্ঠী এই রাজ্যে আগেও ছিল এবং নতুন শিল্প বিনিয়োগের হাত ধরে তাঁরা আবার বাংলায় নিজেদের উপস্থিতি জোরদার করবে। তো নাম পরিবর্তন, নারী ক্ষমতায়ন আর শিল্পায়নের ত্রিফলা কৌশলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই মেগা ঘোষণা সত্যিই এক আত্মবিশ্বাসী ও উন্নয়নমুখী নতুন বাংলার দিশা দেখাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *