Following the collapse of Trinamool's empire of corruption, the first Chief Minister from the 'Saffron Brigade' is poised to ascend the throne of Bengal!

তৃণমুলের দুর্নীতির সাম্রাজ্য পতনের পর বাংলার মসনদে বসতে চলেছে গেরুরা বাহিনীর প্রথম মুখ্যমন্ত্রী! রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে আজই স্থির হতে পারে রাম রাজ্যের ভাবী মুখ্যমন্ত্রীর নাম!

বাংলার আকাশে আজ পরিবর্তনের নতুন আবির! দীর্ঘ লড়াইয়ের পর তৃণমূলের অপশাসনকে ধুলোয় মিশিয়ে বাংলার সিংহাসন দখল করেছে বিজেপি। কিন্তু জয় তো অর্জিত হয়েছে, এখন প্রশ্ন—কে সামলাবেন বাংলার হাল? কার মাথায় উঠবে আগামী ৫ বছরের মুকুট? রাজনাথ সিং থেকে শুরু করে দিল্লির হেভিওয়েট নেতারা আজ কলকাতায়। আজই কি নির্ধারিত হবে বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম? নাকি পর্দার আড়ালে তৈরি হচ্ছে বড় কোনো সারপ্রাইজ? আজকের স্পেশাল রিপোর্টে আমরা কাটাছেঁড়া করব সেই ৫টি নাম নিয়ে, যারা বাংলার মসনদের সবচেয়ে কাছে দাঁড়িয়ে।

আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে যিনি সবচেয়ে উজ্জ্বল, তিনি হলেন শুভেন্দু অধিকারী। কেন? কারণ তিনি কেবল জেতেননি, তিনি তৃণমূলের অহংকারকে গুঁড়িয়ে দিয়েছেন। মমতার খাসতালুক ভবানীপুরে গিয়ে তাঁকে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে হারানো কোনো ছোট কথা নয়। নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুর—শুভেন্দু আজ বাংলার মানুষের কাছে এক অপরাজেয় যোদ্ধার প্রতীক। দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা আর গত ৫ বছর ধরে রাজপথে তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনীর সামনে বুক চিতিয়ে লড়াই করা শুভেন্দুই কি হতে চলেছেন মোদীজির তুরুপের তাস? তাঁর জন্য মানুষের উন্মাদনা আজ আকাশ ছুঁয়েছে। এই দৌড়ে কিন্তু পিছিয়ে নেই দিলীপ ঘোষও। বাংলার বুথে বুথে বিজেপিকে পৌঁছে দেওয়ার পেছনে যাঁর অবদান অনস্বীকার্য, তিনি হলেন দিলীপ ঘোষ। হারুন বা জিতুন, তাঁর লড়াই করার মানসিকতা আর তীক্ষ্ণ বক্তব্য কর্মীদের রক্তে তেজ বাড়িয়ে দেয়।

অন্যদিকে, এই লিস্টে আছেন বর্তমান কাণ্ডারি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর মার্জিত ভাষা আর রাজনৈতিক দূরদর্শিতা বিজেপিকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বিশেষ করে গত কয়েকদিন যেভাবে তিনি সুশৃঙ্খলভাবে দলকে জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিলেন, তাতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের গুড বুকে তাঁর নাম থাকাটাই স্বাভাবিক। বিজেপি যদি কোনো বুদ্ধিজীবী এবং সুশিক্ষিত প্রশাসক চায়, তবে স্বপন দাশগুপ্তের পাল্লা অনেকটাই ভারী। লন্ডন থেকে অক্সফোর্ড—শিক্ষাগত যোগ্যতায় তিনি সেরা। রাসবিহারী কেন্দ্র থেকে জিতে তিনি প্রমাণ করেছেন বুদ্ধিজীবীরাও মানুষের মন জয় করতে পারেন।

তবে বিজেপি মানেই তো ‘আউট অফ দ্য বক্স’ কিছু! উত্তরপ্রদেশ বা ত্রিপুরার মতো কোনো আনকোরা বা নতুন কাউকেও কি সামনে আনা হতে পারে? সঙ্ঘের আদর্শে দীক্ষিত কোনো সনিষ্ঠ কর্মীকে কি মুখ্যমন্ত্রী করে চমকে দেবে দিল্লি? রাজনাথ সিং-এর ঝোলায় ঠিক কার নাম আছে, তা নিয়ে আজ কাঁপছে নবান্ন। বিজেপি একটি আদর্শগত দল। এখানে নেতার চেয়ে নীতি বড়। যিনিই মুখ্যমন্ত্রী হোন না কেন, তাঁর কাঁধেই থাকবে সোনার বাংলা গড়ার পবিত্র দায়িত্ব। নিয়োগ দুর্নীতি থেকে তোষণ—বিগত ১৫ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করাই হবে তাঁর প্রথম কাজ। আজ বিকেলের মধ্যেই হয়তো কুয়াশা কেটে যাবে। বাংলা পাবে তার নতুন অভিভাবককে। যিনি বাংলাকে আবার শিল্পের, মেধার আর নিরাপত্তার শীর্ষে নিয়ে যাবেন। আপনার চোখে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার জন্য সবচেয়ে যোগ্য কে? শুভেন্দু অধিকারীর লড়াকু মেজাজ, নাকি স্বপন দাশগুপ্তের বুদ্ধিমত্তা? কমেন্টে জানান আপনার পছন্দের নাম!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *