High tension in Suvendu's stronghold ahead of the by-election! Pre-election battle over the BJP candidate in Nandigram reaches fever pitch!

উপনির্বাচনের আগেই শুভেন্দুর ডেরায় চরম উত্তেজনা ! নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থী নিয়ে প্রাক-নির্বাচনী লড়াই তুঙ্গে!

নির্বাচন কমিশনের তরফে নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আনুষ্ঠানিক দিনক্ষণ এখনও পর্যন্ত ঘোষণা করা হয়নি। কিন্তু তাতে কী! নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগেই পূর্ব মেদিনীপুরের এই হাই-প্রোফাইল কেন্দ্রে শুরু হয়ে গিয়েছে দেওয়াল লিখন থেকে শুরু করে পোস্টারিংয়ের লড়াই। আর এই লড়াইকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। জল্পনার মূল কেন্দ্রবিন্দু একটাই— শুভেন্দু অধিকারীর ছেড়ে যাওয়া নন্দীগ্রাম আসনে কাকে প্রার্থী হিসেবে নামাবে ভারতীয় জনতা পার্টি? নন্দীগ্রামের দুই প্রভাবশালী নেতা অঞ্জন ভারতী নাকি মেঘনাথ পাল— কার নামে অবশেষে সিলমোহর দেবে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব?

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন ঘিরে বেশ কয়েকদিন ধরেই উত্তাপ বাড়ছিল। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় অঞ্জন ভারতীর নাম ভাইরাল হওয়ার পাশাপাশি বেশ কিছু এলাকায় মেঘনাথ পালকে বিধায়ক হিসেবে দেখার আর্জি জানিয়ে অজ্ঞাতপরিচয় পোস্টারও পড়েছিল। আর এবার সমস্ত জল্পনাকে উসকে দিয়ে শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ বিজেপি নেতা অঞ্জন ভারতীর নামে সরাসরি শুরু হয়ে গেল দেওয়াল লিখন। যা দেখে স্বাভাবিকভাবেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে দলের অন্দরে ও বাইরে। যদিও স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে— বিজেপি একটি সুশৃঙ্খল ও সংগঠিত দল। দলীয় স্তরে এখনও কোনো প্রার্থীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়নি। এটি হয়তো কিছু অতিরিক্ত উৎসাহী কর্মী-সমর্থকের কাজ, যা দল কোনোভাবেই সমর্থন করে না।

উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর আসন থেকেও জয়লাভ করেছিলেন। পরবর্তীতে সাংবিধানিক নিয়ম মেনে ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে শপথ নেওয়ার কারণে তাঁকে নন্দীগ্রাম আসনটি ফাঁকা করতে হয়। তবে পদ ছাড়লেও নন্দীগ্রামের মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন— তিনি নন্দীগ্রামের অভিভাবক হিসেবেই পাশে থাকবেন। অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দারাও চাইছেন, যিনিই প্রার্থী হোন না কেন, তিনি যেন শুভেন্দু অধিকারীর মতোই এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকতে পারেন। তো প্রার্থী চূড়ান্ত হওয়ার আগেই নন্দীগ্রামে রাজনীতির এই আগাম পারদ সত্যি এক হাই-ভোল্টেজ উপনির্বাচনের স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *