Not the last village on the border, but India's first village! This message from Prime Minister Narendra Modi is now the center of discussion across the country.

সীমান্তের শেষ গ্রাম নয়, এটাই ভারতের প্রথম গ্রাম! প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই বার্তা এখন দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু

দেশের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির বাসিন্দাদের দেশপ্রেম, আত্মত্যাগ এবং উন্নয়নের ইচ্ছাশক্তির প্রশংসা করে বড় বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ‘বিকশিত ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ’ কর্মসূচির ২০২৬ সালের অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, সীমান্তের গ্রামগুলি কোনওভাবেই দেশের শেষ প্রান্ত নয়, বরং এগুলিই ভারতের প্রথম গ্রাম এবং দেশের প্রকৃত শক্তির প্রতীক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষ নিজেদের ব্যক্তিগত সুযোগ-সুবিধার থেকেও দেশের নিরাপত্তা এবং জাতীয় ঐক্যকে বেশি গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, এই মানুষদের মধ্যে এমন এক দেশপ্রেম রয়েছে, যেখানে অনেক সময় নিজের চেয়েও দেশ বড় হয়ে ওঠে। মোদীর মতে, এই গ্রামগুলিকে আর “দুর্গম” বা “শেষ প্রান্তের গ্রাম” হিসেবে দেখা উচিত নয়। বরং এগুলিকে দেশের “প্রথম গ্রাম” হিসেবে সম্মান দেওয়া উচিত।

এই ভাবনাকেই বাস্তবে রূপ দিতে কেন্দ্র সরকার চালু করেছে ‘বিকশিত ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ’ কর্মসূচি। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর জানিয়েছে, ‘মাই ভারত’ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিকে ‘বিকশিত ভারত’-এর যাত্রায় সক্রিয় অংশীদার করা হচ্ছে। এই বছরের কর্মসূচি ৪ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত দুটি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। এর আওতায় লাদাখ, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের মোট ৭৪টি সীমান্তবর্তী গ্রামকে বেছে নেওয়া হয়। সারা দেশ থেকে একটি অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তিন লক্ষেরও বেশি আবেদনকারীর মধ্য থেকে ৪০০-র বেশি তরুণ-তরুণীকে নির্বাচিত করা হয়।

এই কর্মসূচির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক ছিল, নির্বাচিত যুবক-যুবতীরা এক সপ্তাহ ধরে সীমান্তবর্তী গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে থেকেছেন। তাঁরা অংশ নেন—স্বচ্ছতা অভিযান, সরকারি প্রকল্প নিয়ে সচেতনতা প্রচার, যুব সম্মেলন, সাংস্কৃতিক বিনিময়, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, মডেল পঞ্চায়েত কার্যক্রম, স্থানীয় কারিগরদের সঙ্গে মতবিনিময়, এবং দেশের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই অভিজ্ঞতা শুধু গ্রামকে জানার সুযোগ নয়, বরং এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত-এর বাস্তব উদাহরণ।

তিনি অংশগ্রহণকারীদের প্রশংসা করে বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের তরুণরা যখন সীমান্তের মানুষের জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি এবং দেশরক্ষার প্রতি তাঁদের অঙ্গীকারকে কাছ থেকে দেখেন, তখন জাতীয় সংহতি আরও শক্তিশালী হয়। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের তরুণ প্রজন্ম সীমান্তবর্তী অঞ্চলের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতা সম্পর্কে সরাসরি ধারণা পাচ্ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে জাতীয় সংহতি, সামাজিক অংশগ্রহণ এবং সীমান্ত অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *