Parading in Underwear on the Streets! Mastermind Behind 20+ Bombings Arrested—Bengal Police in ‘Singham’ Mode.

“অন্তর্বাসে রাস্তায় প্যারেড! ২০+ বোমাবাজির মাস্টারমাইন্ড গ্রেফতার, ‘সিংঘম’ মুডে বাংলা পুলিশ”

বাংলায় এবার শুরু হয়ে গেছে অপরাধ দমনের আসল ‘শুভেন্দু দাওয়াই’! যারা এতদিন সমাজকে নিজেদের বাপের সম্পত্তি মনে করত, সাধারণ মানুষের বুকে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল, আজ তাদের অহংকার এক ঝটকায় ধুলোয় মিশিয়ে দিল পুলিশ। ২০২১ সালে খোদ পুলিশের ওপর গুলি চালানো এবং একাধিক বোমাবাজির মূল হোতা, হাওড়ার তথাকথিত ‘ডন’ আকাশ সিংকে স্রেফ অন্তর্বাস পরিয়ে প্রকাশ্য রাস্তায় প্যারেড করাল হাওড়া পুলিশ! শনিবারের এই নজিরবিহীন ঘটনায় গোটা রাজ্যজুড়ে তোলপাড় পড়ে গেছে। অপরাধীদের মনে যমদণ্ড বসাতে নতুন সরকারের এই মেগা অ্যাকশন নিয়ে ঠিক কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী? জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।
একটু মনে করে দেখুন ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময়কার কথা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল জমানায় এই আকাশ সিংয়ের মতো অপরাধীরা ছিল শাসকদলের চোখের মণি। ভোটের বৈতরণী পার করতে এদের মতো গুন্ডাদের খাতির করত পিসি-ভাইপোর তোষণকারী সরকার। আর সেই ক্ষমতার দম্ভেই ২০২১ সালে খোদ কর্তব্যরত পুলিশের ওপর গুলি চালাতে বুক কাঁপেনি এই ডনের! ২০টিরও বেশি বোমা ছুঁড়ে হাওড়াকে শ্মশান বানানোর অভিযোগ রয়েছে এর বিরুদ্ধে। তৃণমূলের আমলে পুলিশ জানত অপরাধী কে, কিন্তু ওপর মহলের অদৃশ্য হাতের ইশারায় আর ভোটব্যাঙ্ক নষ্ট হওয়ার ভয়ে এই মাফিয়াদের গায়ে হাত দেওয়ার ক্ষমতা ছিল না খাঁকি উর্দির। কিন্তু রাজ্যে বিজেপি সরকার আসতেই বদলে গেছে গোটা সমীকরণ। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দায়িত্ব নিয়েই প্রথম যে কাজটা করেছেন, তা হলো—পুলিশকে পলিটিক্যাল গুলামি বা রাজনৈতিক দাসত্ব থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি দিয়েছেন। শুভেন্দুজী পুলিশ প্রশাসনকে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, “কোনো চোর বা গুন্ডার রাজনৈতিক পরিচয় দেখার দরকার নেই। অপরাধী যতবড় প্রভাবশালীই হোক না কেন, তার কলার ধরে টেনে আনো।” বিজেপি সরকারের এই সবুজ সঙ্কেত আর পূর্ণ স্বাধীনতা পাওয়ার পরেই গর্জে উঠেছে বাংলার পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপন করে থাকা এই ডন আকাশ সিংকে এই মাসের শুরুতে গ্রেফতার করা হয় এবং শনিবার তাকে তার নিজের এলাকাতেই অন্তর্বাস পরিয়ে ঘুরিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া হলো—আইনের হাত কত লম্বা!
হাওড়ার রাস্তায় এই প্যারেড দেখার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে খুশির হাওয়া। বহু বছর পর আম জনতা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বলছেন—যারা সমাজকে তটস্থ করে রেখেছিল, তাদের এই পরিণতিই হওয়া উচিত। যদিও এই ঘটনায় কিছু স্বঘোষিত মানবাধিকার কর্মীরা অপরাধীর অপমানের দোহাই দিয়ে কান্নাকাটি শুরু করেছেন, কিন্তু সাধারণ মানুষের সাফ কথা—যখন এই গুন্ডারা সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার করত, তখন এই মানবাধিকার বাবুরা কোথায় লুকিয়ে ছিলেন? শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপি নেতারা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, নন্দীগ্রাম থেকে হাওড়া—বাংলার প্রতিটি কোণ থেকে ভয়ের রাজনীতির অবসান ঘটানো হবে এবং আইনের শাসন কায়েম করা হবে।
হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট স্পষ্ট জানিয়েছে, এটা তো স্রেফ ট্রেলার, সিনেমা এখনো বাকি আছে! আকাশ সিংয়ের পুরো চক্র এবং তার সহযোগীদের উপড়ে ফেলতে আরও জেরা করা হবে। পিসি-ভাইপোর আমলে যে পুলিশকে ঠুঁটো জগন্নাথ বানিয়ে রাখা হয়েছিল, আজ মোদী-শুভেন্দুর ডবল ইঞ্জিন সরকারের অধীনে সেই পুলিশই বাংলার বুকে আসল সিংঘম হয়ে অপরাধীদের মেরুদণ্ড ভেঙে দিচ্ছে।
আপনার কী মনে হয়? পুলিশকে রাজনৈতিক চাপ থেকে মুক্ত করে অপরাধীদের এভাবে কঠোর শাস্তি দেওয়ার যে ক্ষমতা শুভেন্দু সরকার দিয়েছে, তা কি আসলেও বাংলার আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে? কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *