With a single move by Suvendu, the State Government's revenue surges from lakhs into the crores!

শুভেন্দুর এক পদক্ষেপে লক্ষ থেকে রাজ্য সরকারের আয় কোটির ঘরে !

তৃণমূল জমানায় যা ছিল সম্পূর্ণ কল্পনাতীত, শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসতেই তা বাস্তবে করে দেখাল! বীরভূমের কালো পাথর থেকে রাজ্য সরকারের রাজস্ব আদায় এবার সমস্ত রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দিল। গত শনিবার, ২৩ মে খাস বীরভূম জেলা থেকে একদিনে সরকারের ঘরে রাজস্ব জমা পড়েছে প্রায় ৩ কোটি টাকা—যা বাংলার ইতিহাসে সর্বকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড সংগ্রহ! কিন্তু কীভাবে সম্ভব হলো এই মিরাকেল? পিসি-ভাইপোর চোর সিন্ডিকেটের কোন অন্ধকার সত্য সামনে এল? জানতে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।
আসলে বিগত তৃণমূল জমানায় বীরভূমের এই খনিজ সম্পদকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো-বাহিনী লুঠের মুক্তাঞ্চল বানিয়ে দিয়েছিল। বালি আর পাথরের বেআইনি কারবার থেকে কীভাবে কোটি কোটি টাকা চুরি হতো, তা আজ সবার সামনে পরিষ্কার। তৃণমূলের নেতারা রাস্তাঘাটে নিজস্ব ‘দলীয় বেআইনি চেক গেট’ বসিয়ে রেখেছিল। প্রতিটা পাথর বোঝাই ডাম্পার থেকে জোর করে তোলা বা কাটমানি আদায় করা হতো। ফলে, যে টাকা সরাসরি রাজ্য সরকারের কোষাগারে যাওয়ার কথা, সেই কোটি কোটি টাকা প্রতিদিন সরকারি রসিদ ছাড়াই চলে যেত তৃণমূলের রাঘববোয়ালদের ব্যক্তিগত পকেটে। এই সিন্ডিকেট রাজের কারণেই বছরের পর বছর বাংলার রাজস্ব খাত শূন্য হয়ে পড়েছিল আর দেউলিয়া হয়েছিল রাজ্য।
কিন্তু নবান্নে শুভেন্দুর সুশাসন আসতেই বদলে গেছে চেনা ছবি। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট নির্দেশ দেন—রাস্তায় কোনো বেআইনি দলীয় তোলাবাজির গেট থাকবে না। গত ১৭ মে থেকে সমস্ত বেআইনি গেট গুঁড়িয়ে দিয়ে শুধু সরকারি চেকপোস্টের মাধ্যমে আইনি উপায়ে টাকা আদায় শুরু হয়। আর ফল হাতেনাতে! বীরভূমের ৫টি ব্লকে—ময়ূরেশ্বর, রামপুরহাট-১, মহম্মদবাজার, নলহাটি-১ এবং মুরারই-১ এলাকায় মোট ১০টি সরকারি চেকগেট দিনরাত সক্রিয় করা হয়েছে। ভূমি সংস্কার দফতর, পরিবহণ দফতর এবং পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা যৌথভাবে ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে ২৪ ঘণ্টা পাহারা দিচ্ছেন।
চোরদের রুখতে এবার ডবল ইঞ্জিন সরকারের কড়া আইন! বিভিন্ন জাতীয় ও রাজ্য সড়কে স্পট এনফোর্সমেন্ট বা আকস্মিক তল্লাশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে। স্পষ্ট নিয়ম করা হয়েছে—যদি কোনো ডাম্পার MTDCL চালান বা DCR ছাড়া অবৈধভাবে কালো পাথর বহন করে ধরা পড়ে, তবে তাকে স্পটেই ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হবে! এই কঠোর নজরদারি আর জরিমানার ভয়েই এখন পাথর মাফিয়ারা সোজা রাস্তায় চলতে বাধ্য হচ্ছে। আর তার জেরে গত ১৭ মে থেকে ২৩ মে—মাত্র ৭ দিনে বীরভূমের এই পাথর থেকে সরকারের আয় হয়েছে ১৭ কোটি ১৯ লক্ষ টাকা!
বিজেপির তোলা এই অভিযোগ আজ অক্ষরে অক্ষরে সত্যি প্রমাণিত হলো যে, এতকাল পাথর খাদানগুলো ছিল তৃণমূলের লুঠপাটের স্বর্গরাজ্য। শুভেন্দুজী তোষণ আর চুরির রাস্তা বন্ধ করতেই আজ সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকা সরকারি কোষাগারে ফিরছে। যে বাংলা এতদিন ভিখারি সেজে কেন্দ্রের কাছে বঞ্চনার কান্না কাঁদত, আজ সৎ নেতৃত্বের হাত ধরে সেই বাংলা নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার পথে এগিয়ে চলেছে।
আপনার কী মনে হয়? তৃণমূলের এই কোটি কোটি টাকার পাথর চুরি রুখে শুভেন্দু সরকার যে রেকর্ড রাজস্ব আদায় করল, তা নিয়ে । আপনার মতামত জানান কমেন্ট বক্সে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *