Shubhendu's government forms its full-fledged cabinet with the aim of building a 'Sonar Bangla'.

সোনার বাংলা গড়ার লক্ষে গঠিত হলে শুভেন্দু সরকারের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী সভা ! লোক ভবনে মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন গেরুয়া শিবিরের ৩৫ জন বিধায়ক !

 

সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে এবার চূড়ান্ত ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করে ফেলল মোদী-শুভেন্দুর ডবল ইঞ্জিন সরকার। আজ লোকভবনে মহাসাড়ম্বরে গঠিত হলো শুভেন্দু অধিকারীর পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা। বাংলার প্রশাসনিক চালিকাশক্তিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে আজ পূর্ণমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মিলিয়ে মোট ৩৫ জন লড়াকু নেতা শপথ গ্রহণ করলেন। মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালের নাম ঘোষণার পর রাজভবনের তরফ থেকে তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান মাননীয় রাজ্যপাল আরএন রবি। কারা এলেন এই মেগা ক্যাবিনেটে? কারাই বা বাদ পড়লেন? আর শুভেন্দুজীর এই নতুন টিমের সবচেয়ে বড় চমকগুলো কী কী?

শুভেন্দুজীর এই নতুন মন্ত্রিসভায় যেমন রয়েছে অভিজ্ঞতার সম্ভার, তেমনই রয়েছে নতুন প্রতিভার জয়জয়কার। পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার বুঝে নিয়েছেন তাপস রায়, মনোজ ওরাওঁ, অর্জুন সিং, গৌরীশঙ্কর ঘোষ, দীপক বর্মন, অরূপ কুমার দাস, স্বপন দাশগুপ্ত, কল্যাণ চক্রবর্তী এবং শঙ্কর ঘোষের মতো হেভিওয়েট নেতারা। তবে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলেন বীরভূমের মাটির লড়াকু নেতা দুধকুমার মণ্ডল! ১৯৮৮ সালে যখন বাংলায় বিজেপির অস্তিত্বই ছিল না, সেই সময় পঞ্চায়েত ভোটে পদ্ম ফুটিয়েছিলেন তিনি। দশকের পর দশক ধরে ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করা এই ত্যাগী নেতাকে পূর্ণমন্ত্রী করে বিজেপি প্রমাণ করে দিল—দলের জন্য রক্ত জল করা নিষ্ঠাবান কর্মীদের সর্বোচ্চ সম্মান দিতে একমাত্র বিজেপিই জানে। বিগত জমানার মতো সিন্ডিকেট বা তোলাবাজদের নয়, শুভেন্দু সরকার এবার সুযোগ করে দিয়েছে খাঁটি ও যোগ্য মানুষদের। প্রথমবার বিধায়ক হয়েই সরাসরি ক্যাবিনেট মন্ত্রী হলেন বিধাননগরের জনপ্রিয় চিকিৎসক ডক্টর শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। খড়দহ থেকে জয়ী কল্যাণ চক্রবর্তীও পেলেন পূর্ণমন্ত্রীর পদ। এছাড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বড় চমক আউশগ্রামের ঘরের মেয়ে কলিতা মাজি! সাধারণ ঘরের এই মহিলার সততা ও লড়াইকে সম্মান জানিয়ে মোদী-শুভেন্দুর সরকার তাঁকে প্রতিমন্ত্রীর আসনে বসাল। এছাড়াও শ্রীরামপুরের ভাস্কর ভট্টাচার্য এবং বলাগড়ের সুমনা সরকাররা মন্ত্রিসভায় এসে প্রমাণ করলেন যে, নতুনদের কাঁধে দায়িত্ব দিয়ে বাংলাকে প্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই এই সরকারের মূল লক্ষ্য। স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে মালতি রাভা রায়, রাজেশ মাহাতো এবং ইন্দ্রনীল খাঁদের ওপর বড় ভরসা রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিকে রাজনীতির অন্দরে একটা বড় জল্পনা ছিল—মন্ত্রিসভায় কি ঠাঁই পাবেন তিলোত্তমার মা, রুদ্রনীল ঘোষ কিংবা রূপা গঙ্গোপাধ্যায়রা? সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আজ স্পষ্ট হয়ে গেল যে, নবগঠিত এই ৩৫ জনের তালিকায় তাঁদের নাম নেই। প্রশাসনিক ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং সুনির্দিষ্ট সাংগঠনিক সমীকরণের কথা মাথায় রেখেই শুভেন্দুজী তাঁর এই কর্মক্ষম টিম সাজিয়েছেন। তবে দফতর বণ্টন এখনও চূড়ান্ত না হলেও, খুব দ্রুতই এই দেশপ্রেমিক মন্ত্রীদের হাতে বাংলার উন্নয়নের চাবিকাঠি তুলে দেওয়া হবে। তোষণমুক্ত এবং চোরমুক্ত এক নতুন প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবার দেখতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ। যেখানে কোনো স্বৈরাচারী ভাইপো-র দাদাগিরি চলবে না, চলবে কেবলই জনগণের উন্নয়ন। শুভেন্দু অধিকারীর এই ৩৫ জন যোগ্য সেনাপতির হাত ধরে বাংলা এবার দেশ তথা বিশ্বের বুকে তার হারানো গৌরব ফিরে পাবেই!
শুভেন্দু অধিকারীর এই পূর্ণাঙ্গ এবং লড়াকু মন্ত্রিসভা নিয়ে আপনার কী মতামত? কোন নেতা কোন দফতর পেলে সবচেয়ে ভালো কাজ হবে বলে আপনি মনে করেন? কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত অবশ্যই জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *